দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাশিয়া ও চীনের যৌথ বিমান টহল জাপানের চারপাশে পরিচালিত হওয়ায় দেশটির যুদ্ধবিমানগুলো জরুরি ভিত্তিতে উড্ডয়ন করে পরিস্থিতি নজরদারি করেছে। টোকিও ও বেইজিংয়ের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল।
মন্ত্রণালয় জানায়, রাশিয়ার দুটি পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম টু–৯৫ কৌশলগত বোমারু বিমান জাপান সাগর থেকে পূর্ব চীন সাগরের দিকে গিয়ে চীনের দুটি এইচ–৬ বোমারুর সঙ্গে যুক্ত হয়। এরপর তারা প্রশান্ত মহাসাগরে দীর্ঘ দূরত্বে যৌথ টহল চালায়। টহল শেষে চারটি চীনা জে–১৬ যুদ্ধবিমান এই বহরে যোগ দিয়ে জাপানের ওকিনাওয়া ও মিয়াকো দ্বীপের মাঝের আন্তর্জাতিক জলসীমা হয়ে যাতায়াত করে।
একই সময় জাপান সাগরে রুশ বিমান বাহিনীর আরও তৎপরতা শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে ছিল একটি এ–৫০ সতর্কীকরণ বিমান ও দুটি সু–৩০ যুদ্ধবিমান।
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি এক্স–এ বলেন, রাশিয়া ও চীনের এই টহল ‘আমাদের দেশের বিরুদ্ধে শক্তির প্রদর্শন’, যা জাপানের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। তিনি বলেন, জাপানি যুদ্ধবিমানগুলো কঠোরভাবে আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।
রুশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এই যৌথ টহল আট ঘণ্টা ধরে চলেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনীও জানায়, মঙ্গলবার রাশিয়ার সাতটি ও চীনের দুটি যুদ্ধবিমান তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ এলাকায় প্রবেশ করে।
এর আগে জাপান অভিযোগ করে, চীনা বিমানবাহী রণতরী থেকে উড্ডয়ন করা যুদ্ধবিমান তাদের সামরিক বিমানের দিকে রাডার তাক করেছে। তবে বেইজিং এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ইদানীং জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ি তাকাইচি বলেছেন, তাইওয়ানের বিরুদ্ধে চীনের কোনো সামরিক পদক্ষেপে যদি জাপানের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে, তবে টোকিও প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। এর পর থেকেই চীনের সামরিক তৎপরতা জাপানের চারপাশে আরও বেড়েছে।
চীন ও রাশিয়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়িয়ে যৌথ মহড়া, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা অনুশীলন এবং দক্ষিণ চীন সাগরে লাইভ–ফায়ার নৌ মহড়াসহ বিভিন্ন সামরিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/