এনসিপির ৬ এমপিই যথেষ্ট, কথার জবাব দিতে সরকারি দলের ৪৫ মিনিট লাগে: হাসনাত
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘জাতীয় সংসদে এনসিপির ছয়জনের কথার জবাব দিতে সরকারি দলের বাঘা বাঘা নেতাদের ৪৫ মিনিট সময় লাগে। ছোট দল হওয়ার কারণে অনেক সময় সংসদে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয় না। আমরা শুরু করেছি ছয়জন দিয়ে, জনসমর্থন নিয়ে খুব শীঘ্রই ১৬০ জনে পৌঁছাবো।’সোমবার (২০ জুলাই) বিকেল ৫টায় পিরোজপুর জুলাই মঞ্চে এনসিপি আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।পথসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম আহ্বায়ক আলী হাসান জুন্নায়েদ এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ড. শামিম হামিদী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনসিপি পিরোজপুর জেলা কমিটির আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির এবং সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব মাইনুল আহসান মুন্না।হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘যখন আমাদের বাবারা ভাববেন তাঁদের সন্তানদের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ রেখে যেতে হবে, পুলিশ সদস্যরা ভাববেন তাঁদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে হবে, তখনই সংসদে আমাদের ১৬০ জন প্রতিনিধি থাকবে। আমাদের কোনো ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্ক নেই, কোনো মিডিয়া মাফিয়ার কাছেও মাথা নত করব না। আমরা জনগণের সমর্থন চাই।’তিনি আরও বলেন, ‘তিনটি নির্বাচন আমাদের সবার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। যখন একজন মা, একজন ব্যবসায়ী, একজন রিকশাচালক-সবাই তাঁদের সন্তানের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত বলে উপলব্ধি করেছিলেন, তখনই মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। আর সবাই রাজপথে নামার কারণেই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছিল। পরিবর্তনের দায়িত্ব নিজের কাঁধে না নিলে পরিবর্তন আসে না।’ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভোটের আগের রাতে ৫০০ বা ১ হাজার টাকা নিলে তার মূল্য পাঁচ বছর ধরে পরিশোধ করতে হয়। আর বিনা টাকায় ভোট দিলে পাঁচ বছর জনগণ বিনা মূল্যে সেবা পেতে পারে।’তিনি বলেন, ‘আমরা সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা চাই। আমরা জনগণের হয়ে কাজ করতে চাই। এজন্য আপনাদের সমর্থন ও সহযোগিতা প্রয়োজন।’এসময় এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ পদযাত্রা ও পথসভায় অংশ নেন। এর আগে শহরে সিও অফিস থেকে পূর্ব নির্ধারিত জুলাই পদযাত্রা শুরু হয়ে শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।কেএম