দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাশিয়ার সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা ভ্যালেরি গেরাসিমভ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে জানিয়েছেন, তাদের বাহিনী ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর কুপিয়ানস্ক দখল করেছে। তবে ইউক্রেন এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছে। কিয়েভ বলছে, শহরটি এখনো ইউক্রেনীয় বাহিনীর নিয়ন্ত্রণেই আছে।
রাশিয়া একই সঙ্গে দাবি করেছে, তারা ডোনেৎস্ক অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস শহর পোকরোভস্কের বড় অংশ এবং সীমান্তঘেঁষা ভভচানস্কের ৮০ শতাংশ দখল করেছে। কিন্তু ইউক্রেন এই দাবিগুলোকেও ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে।
ক্রেমলিন জানায়, পুতিন ‘ওয়েস্ট’ গ্রুপিংয়ের কমান্ড পোস্টে গিয়ে গেরাসিমভসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তাকে কুপিয়ানস্কসহ পূর্বাঞ্চলের কস্তিয়ানতিনিভকা ও ক্রামাতোর্স্কের যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে ব্রিফ করা হয়।
গেরাসিমভ পুতিনকে বলেন, ‘ওয়েস্ট’ গ্রুপিং কুপিয়ানস্ক মুক্ত করেছে এবং ওস্কিল নদীর বাঁ তীরে ঘিরে রাখা ইউক্রেনীয় সেনাদের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে। তিনি দাবি করেন, পোকরোভস্কের ৭০ শতাংশ এবং ভভচানস্কের ৮০ শতাংশ এখন রুশ নিয়ন্ত্রণে। সবচেয়ে তীব্র লড়াই চলছে পোকরোভস্ক এলাকায়।
তবে ইউক্রেন বলছে, রুশ বাহিনীর এসব দাবি সত্য নয়। দেশটির সেনাবাহিনীর সন্ধ্যাকালীন বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কুপিয়ানস্ক এখনো ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’ একই সঙ্গে পোকরোভস্ক ও ভভচানস্ক সম্পর্কে রুশ দাবিও অস্বীকার করা হয়েছে।
ইউক্রেন জানায়, পোকরোভস্ক এলাকায় রুশ বাহিনী ৫৬টি হামলা চালিয়েছে এবং সেখানেই সবচেয়ে তীব্র লড়াই চলছে।
রুশ সেনারা ডোনেৎস্ক অঞ্চলের দিকে ধীরে পশ্চিমমুখী অগ্রসর হচ্ছে, পুরো দোনবাস দখলের যুদ্ধ-পরিকল্পনার অংশ হিসেবে। দক্ষিণের জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলেও রাশিয়া সাম্প্রতিক সময়ে কিছু অগ্রগতি অর্জন করেছে। বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় ১৯ শতাংশ ভূখণ্ড রুশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/