দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সিএনএনের এক নতুন জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সঠিক অগ্রাধিকার দিচ্ছেন না বলে মনে করেন বেশিরভাগ মার্কিন নাগরিক। জরিপে অংশ নেওয়া ৫৮ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে ফেরার পর প্রথম বছরকে ব্যর্থ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
এসএসআরএস পরিচালিত এই জরিপে বলা হয়, জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে ট্রাম্পের উদ্যোগ যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন নাগরিকদের বড় একটি অংশ। জরিপ অনুযায়ী, দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে প্রায় দ্বিগুণ ব্যবধানে অর্থনীতিকেই শীর্ষে রেখেছেন মানুষ, তবে এ খাতে ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ রয়েছে।
জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৫৫ শতাংশ বলেছেন, ট্রাম্পের নীতির কারণে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। মাত্র ৩২ শতাংশ মনে করেন, এতে উন্নতি এসেছে। দৈনন্দিন পণ্যের দাম কমাতে ট্রাম্প যথেষ্ট পদক্ষেপ নেননি বলে মত দিয়েছেন ৬৪ শতাংশ মানুষ। এমনকি রিপাবলিকানদের মধ্যেও প্রায় অর্ধেক মনে করেন, এ বিষয়ে ট্রাম্পের আরও বেশি করা উচিত।
ট্রাম্পের অগ্রাধিকার নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। বর্তমানে মাত্র ৩৬ শতাংশ মনে করেন, তিনি সঠিক অগ্রাধিকার নিয়ে কাজ করছেন, যা মেয়াদের শুরুতে ছিল ৪৫ শতাংশ। শুধু এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বিশ্বাস করেন, ট্রাম্প তাদের মতো সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন।
জরিপে আরও দেখা গেছে, মাত্র ৩৭ শতাংশ নাগরিক মনে করেন ট্রাম্প ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেন। ৩৫ শতাংশ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাকে নিয়ে তারা গর্বিত। অর্ধেকেরও কম মানুষ মনে করেন, কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনের মতো মানসিক দৃঢ়তা ও সক্ষমতা তার রয়েছে।
তবে নিজের সমর্থক গোষ্ঠীর মধ্যে ট্রাম্প এখনও শক্ত অবস্থানে আছেন। প্রায় ৯০ শতাংশ রিপাবলিকান তার কাজের প্রতি সন্তুষ্ট হলেও, স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা নেমে এসেছে ২৯ শতাংশে। লাতিনো জনগোষ্ঠী ও ৩৫ বছরের কম বয়সীদের মধ্যেও তার সমর্থন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
জরিপে আরও উঠে এসেছে, প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ব্যবহারে সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ। ৫৮ শতাংশ মানুষ মনে করেন, ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ও নির্বাহী শাখার ক্ষমতা অতিরিক্তভাবে ব্যবহার করছেন। একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও সরকারি কাঠামোয় তার হস্তক্ষেপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/