দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হোয়াইট হাউসে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নিউইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি। অতীতে তীব্র বিরোধ ও পারস্পরিক সমালোচনা থাকলেও বৈঠকের পর দুজনই জানিয়েছেন, নিউইয়র্কের স্বার্থে তারা গঠনমূলকভাবে একসঙ্গে কাজ করতে চান।
বৈঠকের পর ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের দারুণ এবং ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আমরা দু’জনেই চাই নিউইয়র্ক ভালো থাকুক।’ তিনি মামদানির নির্বাচনী সাফল্যের প্রশংসা করেন এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে তার গুরুত্বারোপকে ‘উল্লেখযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেন।
একসময় ট্রাম্প মামদানিকে ‘জিহাদিস্ট’ আখ্যা দিয়ে তার নাগরিকত্ব বাতিলের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন। তবুও এবার বৈঠকের পর তিনি বলেন, মামদানি ‘অসাধারণভাবে’ জয়ী হয়েছেন।
মামদানি বলেন, ‘বৈঠকটি ছিল ফলপ্রসূ। আমরা নিউইয়র্ককে কেন্দ্র করেই আলোচনা করেছি।’ তিনি জানান, ভাড়া, জ্বালানি বিল ও বাজার–সংক্রান্ত ইস্যুতেও আলোচনা হয়েছে।
ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্ট মতাদর্শ–সমর্থিত মামদানি ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার। এসব অবস্থানে তার সঙ্গে ট্রাম্পের বড় মতপার্থক্য রয়েছে। তবুও তিনি বলেন, ‘মতভিন্নতা থাকলেও যৌথ লক্ষ্য পূরণে আমরা কাজ করতে চাই।’
মামদানি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধ’ বন্ধ করা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর মতো বিষয়গুলোতে দুপক্ষই অভিন্ন অবস্থানে পৌঁছাতে পারে বলে তিনি আশা করেন।
তিনি বলেন, ‘এই বৈঠক আমাদের মতবিরোধ নয়, বরং নিউইয়র্কবাসীর সেবায় অভিন্ন লক্ষ্যকে সামনে রেখে হয়েছে। ৮৫ লাখ মানুষের জীবনে বাস্তব প্রভাব ফেলতে পারে এমন বিষয় নিয়ে আমরা কথা বলেছি।’
অর্থনৈতিক চাপ বাড়ার সময় ট্রাম্পও জীবনযাত্রার ব্যয়–সংক্রান্ত মামদানির উদ্যোগকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘মামদানি আমাকে বলেছেন, আমার অনেক ভোটারই তাকে ভোট দিয়েছেন। এতে আমার কোনও সমস্যা নেই।’
এমএস/