দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

এস্তোনিয়ার আকাশসীমায় অনুমতি ছাড়াই রাশিয়ার তিনটি যুদ্ধবিমান প্রবেশ করেছে বলে অভিযোগ করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ফিনল্যান্ড উপসাগরের আকাশে এ ঘটনা ঘটে।
এস্তোনিয়া জানিয়েছে, রাশিয়ার মিগ-৩১ যুদ্ধবিমানগুলো ১২ মিনিট ধরে তাদের আকাশসীমায় অবস্থান করে। বিষয়টি ধরা পড়ার পর ন্যাটোর অংশ হিসেবে সেখানে অবস্থানরত ইতালির এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দ্রুত আসে। এছাড়া সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের যুদ্ধবিমানও প্রতিক্রিয়া জানায়।
এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ক্রিসেন মিশাল বলেন, ন্যাটোর তৎপরতায় রাশিয়ার যুদ্ধবিমানগুলো সরে যেতে বাধ্য হয়। ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে এ প্রতিক্রিয়াকে ‘দ্রুত ও কার্যকর’ বলে প্রশংসা করেছেন।
তবে রাশিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, তাদের যুদ্ধবিমানগুলো আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনেই উড়ছিল এবং এস্তোনিয়ার সীমান্তে প্রবেশ করেনি। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, বিমানগুলো বাল্টিক সাগরের নিরপেক্ষ জলসীমার ওপর দিয়ে কেরেলিয়া থেকে কালিনিনগ্রাদে যাচ্ছিল।
এ ঘটনার পর এস্তোনিয়া ন্যাটোর ৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী জরুরি আলোচনার আবেদন করেছে। এই ধারায় কোনো সদস্য দেশের ভূখণ্ড, স্বাধীনতা বা নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে বিষয়টি ন্যাটো কাউন্সিলে তোলা যায়। আগামী সপ্তাহে এ নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা।
এস্তোনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্গুস তসাহকনা বলেন, ‘রাশিয়া এ বছর অন্তত চারবার আমাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে। কিন্তু তিনটি যুদ্ধবিমান একসঙ্গে প্রবেশ করা অভূতপূর্ব। এ ধরনের আগ্রাসন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়ে প্রতিহত করতে হবে।’
ঘটনার জেরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র এস্তোনিয়ার পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। ইউরোপীয় কমিশন নতুন করে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে।
পোল্যান্ড ও রোমানিয়ার আকাশেও সম্প্রতি রুশ যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ঢুকে পড়েছে। এতে উত্তেজনা বাড়ায় ন্যাটো মিত্ররা পূর্ব ইউরোপে প্রতিরক্ষা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/