দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং শুক্রবার (আজ) টিকটকের যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্যবসা বিক্রি নিয়ে বহুল আলোচিত চুক্তি চূড়ান্ত করতে পারেন।
কয়েক বছর ধরে চলা এই আলোচনার সূচনা হয়েছিল ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এটি যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে। সোমবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ও চীনের বাণিজ্য উপমন্ত্রী লি চেংগ্যাং জানান, স্পেনের মাদ্রিদে বৈঠকের সময় টিকটক বিক্রির জন্য একটি প্রাথমিক কাঠামোতে দুই দেশ একমত হয়েছে
প্রস্তাব অনুযায়ী, টিকটক যুক্তরাষ্ট্রে চালু থাকবে। চুক্তি হলে মার্কিন বিনিয়োগকারীরা টিকটকের অন্তত ৮০ শতাংশ শেয়ার কিনবেন, বাকি ২০ শতাংশ থাকবে চীনা বিনিয়োগকারীদের হাতে। অরাকল, আন্দ্রেসেন হোরোভিৎজ ও সিলভার লেকসহ কয়েকটি মার্কিন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও টেক কোম্পানি বিনিয়োগ করবে বলে জানা গেছে। নতুন কনসোর্টিয়ামের বোর্ডেও যুক্তরাষ্ট্রের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকবে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের একজন প্রতিনিধি সদস্য হিসেবে যুক্ত হবেন।
২০২৪ সালের শুরুর দিকে কংগ্রেসে পাশ হওয়া দ্বিদলীয় আইনে বলা হয়েছিল—টিকটককে যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে হলে অন্তত ৮০ শতাংশ শেয়ার মার্কিন হাতে দিতে হবে। আইন কার্যকর হওয়ার আগেই ট্রাম্প বারবার সময় বাড়িয়ে দেন এবং বিকল্প সমাধানের চেষ্টা করেন। এদিকে চীন প্রথমে বিটড্যান্সের শেয়ার ছাড়তে নারাজ থাকলেও সাম্প্রতিক বাণিজ্য উত্তেজনা ও যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে কিছুটা নমনীয় হয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই চুক্তি ট্রাম্প-শি বৈঠকের পথ সুগম করবে। অক্টোবরের শেষ দিকে ট্রাম্প এশিয়া সফরে গেলে তাদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তির শর্তাবলি প্রকাশ করা হয়নি। তবে হোয়াইট হাউস বলেছে, প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া অন্য সব তথ্য কেবল অনুমান হিসেবে ধরা উচিত।
ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে টিকটক নিষিদ্ধ করার পক্ষে ছিলেন। তবে পরে মত পাল্টে তিনি মনে করেন—অ্যাপটি তার ২০২৪ সালের নির্বাচনী জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের ব্যবহারকারী প্রায় ১৭ কোটি, যাদের বড় অংশ তরুণ ভোটার।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/