দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাশিয়া ও বেলারুশের যৌথ সামরিক মহড়া ‘জাপাদ-২০২৫’ এ হঠাৎ করেই উপস্থিত হন যুক্তরাষ্ট্রের সেনা কর্মকর্তারা। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলারুশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভিক্টর খ্রেনিন নিজে তাদের মহড়া ঘুরিয়ে দেখান।
খ্রেনিন মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের যা আগ্রহের, তা দেখুন। যেখানে যেতে চান, যান, মানুষের সঙ্গে কথা বলুন—সবই উন্মুক্ত।’
বেলারুশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মহড়ায় মোট ২৩টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ন্যাটো সদস্য তুরস্ক, হাঙ্গেরি ও যুক্তরাষ্ট্রের দুই সেনা কর্মকর্তা বিশেষভাবে নজর কাড়েন।
যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি, তাদের উপস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র-বেলারুশ সম্পর্কের নতুন উষ্ণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। উল্লেখ্য, বেলারুশ রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং ইউক্রেনে হামলার সময় মস্কোকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিয়েছিল।
সম্প্রতি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিনিধি জন কোয়েল মিনস্ক সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকের পর বেলারুশ ৫২ জন বন্দিকে মুক্তি দেয়, যাদের মধ্যে সাংবাদিক ও বিরোধী নেতারাও ছিলেন। পাল্টা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বেলারুশের জাতীয় বিমান সংস্থা বেলাভিয়াকে আংশিক ছাড় দেয়, ফলে তারা আবার বোয়িংয়ের যন্ত্রাংশ কিনতে ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারবে।
ট্রাম্প ইতিমধ্যে লুকাশেঙ্কোকে বন্ধুত্বপূর্ণ চিঠিও পাঠিয়েছেন। তার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র মিনস্কে দূতাবাস পুনরায় চালু করা, সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে মধ্যস্থতা করতেও আগ্রহী তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের কূটনৈতিক অগ্রগতি পশ্চিমা রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এমএস/