দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মো. সুমন মিয়া (৩৫) নামের এক যুবককে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে সোমবার কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—সদর উপজেলার অষ্টধার কুঠুরাকান্দা গ্রামের মো. আহাদ আলীর ছেলে মো. সজিব আলী (২০), অষ্টধার ভিটাপাড়া গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে নাজমুল ইসলাম (২৫) এবং একই গ্রামের মাহিন মিয়ার ছেলে শিহাব মিয়া ওরফে শিপন (১৬)।
নিহত মো. সুমন মিয়া একই গ্রামের আমছর আলীর ছেলে। পুলিশ জানায়, তারা নিয়মিত মাদক ব্যবসা ও সেবন করতেন। সম্প্রতি মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সুমন মিয়ার সাথে সজিব আলীর হাতাহাতি হয়। এরপর নিহতকে হত্যা করার পরিকল্পনা করা হয়।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে সুমনকে মোবাইল ফোনে ডেকে অষ্টধার সেনপাড়া এলাকায় আনা হয়। সেখানে তারা গাঁজা সেবন করেন। পরে টাকার বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটির সময় কয়েকজন মিলে ধারালো ছুরি দিয়ে সুমনের কপাল, থুতনী, গলা, ঘাড়, বুক ও তলপেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে হত্যা করে।
পরবর্তীতে সুমনের লাশ অষ্টধার সেনপাড়া এলাকার সাহেব বাড়ীর উত্তর-পূর্ব কোণে রেললাইনের দক্ষিণ পার্শ্বে ধানক্ষেতের সেচের নালার ওপর ফেলে রাখা হয়। নিহতের মামা মাহিন হোসেন বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মামলাটি নিবিড় তদন্ত ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে সজিব, নাজমুল ও শিপনকে সনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার প্রত্যেকেই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। শিশু শিহাব মিয়া ওরফে শিপনকে আদালতের নির্দেশে গাজীপুর কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।
এমএস/