দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজার সদর থানায় বাঁকখালী নদীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কেন্দ্র করে স্থানীয়দের বিক্ষোভের ঘটনায় নতুন একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি দায়ের করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এর কক্সবাজার নদী বন্দরের পোর্ট অফিসার মোহাম্মদ আবদুল ওয়াকিল।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইলিয়াস খান জানান, মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে ৮০০ থেকে ১০০০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে। প্রধান আসামী হিসেবে নাম এসেছে এডভোকেট মনির উদ্দিনের। অন্যান্য উল্লেখিত আসামির মধ্যে আছেন উন্নয়ন ইন্টারন্যাশনালের মালিক আতিকুল ইসলাম (সিআইপি আতিক), জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মাশেদুল হক রাশেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহীনুল হক মার্শাল এবং আওয়ামী নেতা এডভোকেট আব্দুল খালেক চেয়ারম্যান।
মামলার পটভূমি অনুযায়ী, শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) অভিযানের পঞ্চম দিনে সকাল ৯টার দিকে শহরের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের হাজারো বাসিন্দা বিমানবন্দর সড়কের দিকে জড়ো হন। সকাল ১০টার দিকে বিক্ষোভকারীরা উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবহৃত একটি এস্কেভেটর ভাঙচুর করে এবং সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ঘিরে রাখে। পরে সকাল ১১টায় প্রশাসন উচ্ছেদ কার্যক্রম বন্ধ করে পিছু হটে।
কক্সবাজার শহরে বাঁকখালী নদীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয় গত ১ সেপ্টেম্বর আদালতের আদেশের ভিত্তিতে। অভিযানের দ্বিতীয় দিনে পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটায় ২৫০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। তৃতীয় দিনে পেশকার পাড়ায় স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ে অভিযান, যেখানে আরও ৪০০ জনকে আসামী করা হয়।
এবারের মামলার মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এমএস/