দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের আকাশে দেখা গেছে রহস্যময় আলোর দীর্ঘ রেখা, যা অনেকের চোখে ক্ষেপণাস্ত্রের মতো মনে হয়েছে। বিরল এই দৃশ্য ঘিরে সৈকতে থাকা পর্যটক ও স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। কেউ মুহূর্তটি মোবাইলে ধারণ করেন, আবার কেউ আতঙ্কিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে জল্পনা শুরু করেন।
পরে জানা যায়, ভারতের জলসীমায় দূরপাল্লার একটি মিসাইল পরীক্ষার সময় এর আলোর রেখা বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা থেকেও দৃশ্যমান হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে এ দৃশ্য দেখা যায়। একই ধরনের আলোর রেখা বাগেরহাটের সুন্দরবন এলাকার শরণখোলা পয়েন্ট থেকেও লক্ষ্য করা গেছে।
ভারতের ওই মিসাইল পরীক্ষার বিষয়ে আগেই বাংলাদেশ নৌবাহিনী অবগত ছিল বলে জানা গেছে।
কক্সবাজারে এক পর্যটক বলেন, ‘হঠাৎ দেখে প্রথমে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। দেখতে অনেকটা যুদ্ধের মিসাইলের মতো লাগছিল। পরে বিষয়টি বুঝে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি।’
আরেক পর্যটক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে এমন দৃশ্য দেখব ভাবিনি। তবে সবাই বিষয়টি নিয়ে বেশ আগ্রহ নিয়ে দেখেছে।’
তবে এ বিষয়ে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে ভারতের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল ‘অগ্নি-৬’-এর পরীক্ষা চালানো হতে পারে। এর জন্য ৬ থেকে ৯ মে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের আকাশসীমায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
এ বিষয়ে ‘নোটিশ টু এয়ারম্যান (নোটাম)’ জারি করা হয়েছে বলে গত বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমস। এই বিধিনিষেধ ওড়িশার ড. এ.পি.জে. আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কার্যকর ছিল।
এমএস/