দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ক্ষমতা থেকে সরাতে উয়েফা, কনকাকাফ ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের নেতারা সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ইনফান্তিনো পদত্যাগ না করলে ফিফার কার্যক্রম বয়কট এবং বিকল্প আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের মতো পদক্ষেপও বিবেচনায় রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিফার বিভিন্ন টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক স্বত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা নিয়ে বিতর্কের পর ইনফান্তিনোর প্রতি আস্থা কমে যায়। যদিও পরে তিনি ওই পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন, তবু বিরোধিতা থামেনি।
এর আগে উয়েফা ইনফান্তিনোর প্রতি আস্থা হারানোর কথা জানায়। একই সঙ্গে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন আগামী মার্চে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা সভাপতির নির্বাচনে তাকে সমর্থন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্য টাইমস-এর দাবি, ইনফান্তিনো পদে বহাল থাকলে তিন কনফেডারেশন ফিফার পরিষদ ও বিভিন্ন কমিটির কার্যক্রম বর্জন করতে পারে। পাশাপাশি তাদের উদ্যোগে একটি বিকল্প আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের বিষয়েও আলোচনা চলছে।
প্রতিবেদনটিতে একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইনফান্তিনোকে সরাতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। প্রয়োজনে ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনসহ প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও ওই সূত্র দাবি করেছে।
এদিকে বিভিন্ন দেশের সমর্থনও ইনফান্তিনোর কাছ থেকে সরে যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, বর্তমানে তিনি মাত্র ১৫টি দেশের সমর্থন পাচ্ছেন। অথচ কয়েক সপ্তাহ আগেও আগামী মার্চের নির্বাচনে ২১১ সদস্যবিশিষ্ট ফিফার অধিকাংশ সদস্যের সমর্থন তার পক্ষে ছিল।
ফিফা সভাপতির নির্বাচনে জয়ের জন্য ১০৬ ভোট প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থী মনোনয়ন দেননি। তবে আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত প্রার্থী হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্যদেশ ইনফান্তিনোর পদত্যাগের দাবি জানালে ফিফাকে জরুরি পরিষদ সভা আহ্বান করতে হতে পারে। তবে এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রকাশিত; এ বিষয়ে ফিফার আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এমএম/