দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশ-ভারত নারী দলের ওয়ানডের সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ শেষ হয়েছে শ্বাসরুদ্ধকর টাই দিয়ে। এর ফলে ১-১ ব্যবধানে ড্র তিন ম্যাচের সিরিজ। তাই ভাগাভাগি হয়েছে ট্রফিও। কিন্তু পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ভারতীয় অধিনায়ক হারমনপ্রীত কৌরের আচরণ ক্ষুব্ধ করেছে বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানাকে।
ভারত নিঃসন্দেহে বড় দলগুলোর একটি। প্রথম সারির দলের কাছে শেখার থাকে অনেক কিছুই। কিন্তু দলটির অধিনায়ক মাঠে এবং মাঠের বাইরে যা দেখিয়েছেন তাতে শেখার কিছু নেই বরং সেগুলো থেকে কী ভাবে নিজেদের দূরে রাখা যায় সেই চেষ্টাই হয়তো করবে বাংলাদেশ দল।
আসা যাক ঘটনায়। সিরিজ শেষে নিয়মানুযায়ী ট্রফির সঙ্গে ফটোসেশন করা হয়। সিরিজ যেহেতু ড্র হয়েছে তাই ফটোসেশনে দুই দলেরই থাকার কথা। কিন্তু ভারতীয় দল শুরু থেকে থাকতে চাইছিল না বাংলাদেশের সঙ্গে দাঁড়াতে।
কিন্তু নিয়মের বাইরে তো যেতে পারেন ভারত। তাই শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণ করলেও ভারতীয় দলের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর বাংলাদেশ দলকে উদ্দেশ্য করে অযাচিত মন্তব্য করেন।
সেসব অযাচিত মন্তব্য নিগারের কাছে পৌঁছালে দ্রুত দল নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তাই ঘুরেফিরে ভারতীয় দলের অধিনায়কে মন্তব্য নিয়েই প্রশ্ন করা হচ্ছিল নিগারকে। জ্যোতির কাছে প্রশ্ন করা হয়, কী মন্তব্য করেন হারমনপ্রীত?
যদিও হারমানপ্রীতের করা মন্তব্য শোনাতে অপারগতা জানান জ্যোতি। তবে তার কথায় বোঝা গেছে হারমনপ্রীতের করা মন্তব্য মোটেও শোভন ছিল না। এ নিয়ে জ্যোতি বলেন, ‘তারা আরও ভালো আচরণ করতে পারতো। কিছু কথা সবসময় তো...আর সবকিছু বলা যায় না। যা হয়েছে, আমার কাছে মনে হয়নি দল নিয়ে ওখানে থাকবো। আমি চলে এসেছি।’
জ্যৌতি আরও বলেন, ‘আমি এটা পুরোপুরি বলবো ও (হারমানপ্রীত) যেটা বলেছে সেটা ওরই। সেটা আমাদের কোনও কিছু না। আমার মনে হয় ক্রিকেটার হিসেবে ও আরেকটু বেটার ম্যানার ওয়েতে কথা বলতে পারতো। যেটা আমার কাছে মনে হয় ও করেছে, ওর ব্যাপার। আমার এটা নিয়ে কথা বলা উচিত হবে না।’
এ তো গেল মাঠের আচরণের কথা। শুরুটা হয় মাঠের ভেতরের কাণ্ডে। নিজের আউট নিয়ে আম্পায়ারিংয়ের উপর ক্ষিপ্ত হন ভারতের অধিনায়ক। ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যাটের বাড়িতে স্টাম্প ভেঙে ফেলেন তিনি।
তবে জ্যৌতি বলছেন, ‘আমি তো ম্যাচ খেলেছি। আমি ক্রিকেট নিয়ে কথা বলাটাই মনে হয় ভালো। কারণ আমরা উইকেট, আম্পায়ারিং নিয়ে চিন্তা করি নাই। আমরা শুধু ম্যাচ খেলেছি। আমার মনে হয় প্রতিটি খেলোয়াড় চেষ্টা করেছে শতভাগ দেওয়ার। বাকি ওরা কী বলছে সেটা নিয়ে চিন্তা করছি না।’
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশের দেওয়া ৪ উইকেটে ২২৫ রান তাড়া করতে নেমে ২২৫ রানে অলআউট হয় ভারত। এর আগে সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ জিতে, দ্বিতীয় ম্যাচে জিতে সিরিজ সমতায় আনে ভারত।