দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অবিশ্বাস্য এক ক্যাচে শেষ হলো ভারতের ইনিংস। কেশব মহারাজের বলে বাউন্ডারি মারতে গিয়ে লফট করেছিলেন মোহাম্মদ সিরাজ। মিড অন থেকে ছুটে এসে ডাইভ দিয়ে সেই ক্যাচ ধরেন মার্কো জানসেন।
বল হাতে নিয়েই পড়ে গেলেও বল ছাড়েননি তিনি। সতীর্থরা দৌড়ে এলে অধিনায়ক টেম্বা বাভুমার মুখে তখনও অবিশ্বাস। এই ক্যাচের মধ্য দিয়েই ভারত ১৪০ রানে অলআউট হয় এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ জেতে ৪০৮ রানে। ভারতের মাটিতে এটাই তাদের সবচেয়ে বড় জয়।
টানা দুই টেস্টে জয় নিয়ে ভারতকে ২–০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করল দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজ জেতা তাদের জন্য শুধু দ্বিতীয়বার; ২০০০ সালে হ্যান্সি ক্রনিয়ের নেতৃত্বে প্রথম এমন সাফল্য এসেছিল। ২৫ বছর পর সেই কাতারে নাম লেখালেন বাভুমার দল।
৫৪৯ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য নিয়ে শেষ দিন শুরু করেছিল ভারত। জয় তখন আর লক্ষ্য নয়, ড্র-ই ছিল মূল লক্ষ্য। ২ উইকেটে ২৭ রানে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ভারত। তবে সিমন হারমার প্রথম সেশনেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। এক ওভারেই কুলদীপ যাদব ও ধ্রুব জুরেলকে ফেরান তিনি। এরপর ঋশাভ পান্তকেও আউট করে ভারতের প্রতিরোধ পুরোপুরি ভেঙে দেন।
সাই সুদর্শন ও রবীন্দ্র জাদেজার লড়াইয়ে কিছুটা আশা জাগে ভারতের। প্রথম সেশনের শেষে সুদর্শন ছিলেন ১৩৮ বলে ১৪*, জাদেজা ৪০ বলে ২৩। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই এই জুটি ভাঙে। সেনুরান মুথুসামির বলে এজ হয়ে এইডেন মারক্রামের হাতে ক্যাচ দেন সুদর্শন।
ওয়াশিংটন সুন্দরকে নিয়ে জাদেজা চেষ্টা চালালেও হারমারের স্পিনে আর টিকতে পারেননি তারা। সুন্দরকে ক্যাচ করিয়ে দেন হারমার। সেই ক্যাচ ধরে এক টেস্টে সর্বোচ্চ ৯ ক্যাচ নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন মারক্রাম। ২০১৫ সালে আজিঙ্কা রাহানের করা আগের রেকর্ড ভেঙে দেন তিনি।
পরের ওভারেই হারমার ষষ্ঠ উইকেট হিসেবে নেন নিতিশ রেড্ডিকে। এরপর জাদেজার লড়াইও থেমে যায়। মহারাজের বলে জাদেজা ৫৪ রানে আউট হন। একই ওভারে শেষ ব্যাটসম্যান সিরাজকেও তুলে নেন মহারাজ।
হারমার ম্যাচে ৯ উইকেটসহ দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নেন মাত্র ৩৭ রান দিয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার এই দাপুটে জয়ে সিরিজও তাদের দখলে যায় একতরফা ব্যবধানে।
এমএস/