দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলন শেষে ফেরার সময় গোপনে বিমান বদলের ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস ও সামরিক বাহিনীর নির্দেশ মেনেই তিনি বিকল্প বিমানে উঠেছিলেন। তাঁকে আড়ালে রাখতে একটি ক্যাটারিং ট্রাক ব্যবহার করা হয়েছিল।
ওহাইও থেকে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে ফেরার পর সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাঁকে অন্য একটি বিমানে যেতে বলেছিলেন। বিমানটি সমান নিরাপদ ছিল বলেও তাঁকে জানানো হয়েছিল। ট্রাম্প বলেন, সিক্রেট সার্ভিস ও সামরিক বাহিনী যা করতে বলেছে, তিনি সেটিই করেছেন।
কী কারণে গোপনে বিমান পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে তাঁকে বিস্তারিত জানানো হয়নি বলে জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, সম্ভবত কোনো হুমকি ছিল। তবে বিষয়টি নিয়ে তিনি খুব বেশি জানতে চাননি। কারণ তিনি নিয়মিতই বিভিন্ন ধরনের হুমকি পান।
কেন তাঁকে বহনকারী এয়ার ফোর্স ওয়ান ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সাংবাদিকদের বহনকারী বিমান ঝুঁকিপূর্ণ ছিল না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি যে বিমানে থাকেন, সেটিই হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্য হওয়ার ঝুঁকিতে বেশি থাকে।
ট্রাম্প বলেন, গোপনে বিমান বদলের অনুরোধে তিনি অবাক হননি। তুরস্ক ছাড়ার সময় কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলার আশঙ্কা ছিল কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের বিষয় নিয়ে তিনি সাধারণত উদ্বিগ্ন হন না।
নিউইয়র্ক টাইমস ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরস্কে ট্রাম্পের বিমান পরিবর্তনের পেছনে ইরানের একটি ষড়যন্ত্রের তথ্য ছিল। ন্যাটো সম্মেলন শেষে তুরস্ক ছাড়ার সময় কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ট্রাম্পকে লক্ষ্যবস্তু করার পরিকল্পনার আশঙ্কা থেকেই মার্কিন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা এ ব্যবস্থা নিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/