দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার পর গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে জাহাজ চলাচল এখনো অত্যন্ত সীমিত রয়েছে।
সামুদ্রিক গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার মাত্র ১৩টি বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে আটটি পারস্য উপসাগর থেকে বের হয়েছে এবং পাঁচটি উপসাগরে প্রবেশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মাত্র একটি জাহাজ—একটি পণ্যবাহী জাহাজ—ওমানের উপকূলসংলগ্ন দক্ষিণ রুট ব্যবহার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এই পথকে তুলনামূলক নিরাপদ হিসেবে প্রচার করেছে।
তবে কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পারাপার হওয়া বেশিরভাগ জাহাজ ইরানের উপকূলঘেঁষা পথ ব্যবহার করেছে। বৃহস্পতিবার মেরিনট্রাফিকের তথ্যেও দেখা যায়, দুটি তেলবাহী জাহাজ ইরানের কাছাকাছি পথ দিয়ে উপসাগর ছেড়ে গেছে এবং আরেকটি ওমানের উপকূলসংলগ্ন পথ দিয়ে চলেছে।
যুদ্ধের আগের গড়ের তুলনায় বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের পরিমাণ প্রায় এক-দশমাংশে নেমে এসেছে। তবে কিছু জাহাজ অবস্থান শনাক্তকারী ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখেও চলাচল করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরান ধারাবাহিকভাবে সতর্ক করে আসছে যে এই জলপথ ব্যবহার করতে হলে সব জাহাজকে তাদের অনুমতি নিতে হবে। দেশটির এক সামরিক মুখপাত্র বৃহস্পতিবার বলেন, ইরানের নিয়ম বাস্তবায়ন করাই হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর একমাত্র উপায়। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলা শুরুর সময় ইরান প্রণালিটি বন্ধ ঘোষণা করেছিল।
গত সপ্তাহে প্রণালির কাছাকাছি কয়েকটি জাহাজে ড্রোন হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র জানায়, তারা বৃহস্পতিবার আবারও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা এবং উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, বাণিজ্যিক জাহাজে থাকা নিরীহ নাবিকদের হুমকি দেওয়ার ইরানের সক্ষমতা কমাতেই এ অভিযান চালানো হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন
/অ