দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে সংঘর্ষে জড়ানোর পরও যুদ্ধের অবসান নিয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে জানা গেছে। সাময়িক যুদ্ধবিরতির মধ্যেও উভয় পক্ষ একে অপরের ওপর হামলা চালাচ্ছে, ফলে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হরমুজ প্রণালির আশপাশে সবচেয়ে তীব্র সংঘর্ষ দেখা গেছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের বিরুদ্ধে নৌ ও ড্রোন হামলার অভিযোগ করেছে। একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতও হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইরান-সংশ্লিষ্ট দুটি জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, যাতে তারা ইরানি বন্দরে প্রবেশ করতে না পারে। অন্যদিকে ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় তাদের বাণিজ্যিক জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।
এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সংঘাত শুরুর পর থেকে ইরান ওই জলপথে বিদেশি জাহাজ চলাচল সীমিত করেছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলছে।
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, নৌ অবরোধ থাকলেও ইরান কয়েক মাস অর্থনৈতিক চাপ সামাল দিতে সক্ষম হতে পারে। তবে এই বিশ্লেষণ নিয়ে ভিন্নমতও রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে গেলেও একই সঙ্গে ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। চীন ও হংকংয়ের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ১০টি ব্যক্তি ও কোম্পানিকে লক্ষ্য করে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়, যাদের বিরুদ্ধে ইরানের সামরিক সক্ষমতায় সহায়তার অভিযোগ রয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যত ভঙ্গের মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে, আর কূটনৈতিক সমাধানের পথ আরও জটিল হয়ে উঠছে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/