দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে আবারও হামলা পাল্টা-হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চরম উত্তেজনার মুখে পড়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) এক প্রতিবেদেন এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) মার্কিন বাহিনী তাদের একটি তেলবাহী ট্যাংকারে প্রথম হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে বলে জানিয়েছে তেহরান। জবাবে আইআরজিসি নৌবাহিনী মার্কিন যুদ্ধজাহাজে লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।
তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড দাবি করেছে, তারা সফলভাবে এই হামলা প্রতিহত করে ইরানের সামরিক স্থাপনায় পাল্টা আঘাত হেনেছে।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, জাস্ক বন্দরের কাছে তাদের একটি তেলবাহী ট্যাংকারে মার্কিন বাহিনী প্রথমে হামলা চালায়। এর প্রতিবাদে আইআরজিসি নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী তিনটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার (ইউএসএস ট্রাক্সটন, ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা এবং ইউএসএস মেসন) লক্ষ্য করে একাধিক জাহাজ-বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিস্ফোরকবাহী ড্রোন নিক্ষেপ করে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তারা ইরানের এই হামলা সফলভাবে প্রতিহত করেছে এবং তাদের কোনো যুদ্ধজাহাজের ক্ষতি হয়নি। এর পরপরই ‘আত্মরক্ষামূলক’ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মার্কিন বাহিনী ইরানের কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস, মিনাব এবং সিরিক শহরের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পালটা বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
ট্রাম্প জানিয়েছে, তারা উত্তেজনা বাড়াতে চায় না, তবে নিজেদের বাহিনীকে রক্ষায় সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করবে। অন্যদিকে, ইরান এই ঘটনাকে মার্কিন আগ্রাসন হিসেবে দেখছে।
কেএম