দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নওরোজ উপলক্ষে ইরানের নেতাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মস্কো তেহরানের একনিষ্ঠ বন্ধু ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে পাশে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ইরানি নববর্ষ নওরোজ উপলক্ষে শনিবার (২১ মার্চ) রুশ প্রেসিডেন্ট শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন বলে ক্রেমলিন জানিয়েছে। খবর রয়টার্স
তবে ইরানের প্রতি মস্কোর সমর্থনের মাত্রা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, ১৯৭৯ সালের বিপ্লবে মার্কিন সমর্থিত শাহ-এর পতনের পর ইরান এখন যে ভয়াবহ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাতে মস্কোর কাছ থেকে তারা খুব সামান্যই প্রকৃত সাহায্য পেয়েছে।
ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘ভ্লাদিমির পুতিন ইরানি জনগণের প্রতি এই কঠিন পরীক্ষাগুলো মর্যাদার সঙ্গে কাটিয়ে ওঠার শুভকামনা জানিয়েছেন এবং জোর দিয়ে বলেছেন, এই সংকটময় সময়ে মস্কো তেহরানের একনিষ্ঠ বন্ধু ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে পাশে আছে।’
রাশিয়া বলছে, ইরান অভিমুখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে এক গভীর সংকটে ঠেলে দিয়েছে এবং একটি বড় বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে। একই সঙ্গে পুতিন ইরানের (সাবেক) সর্বোচ্চ নেতার হত্যাকাণ্ডকে একটি ‘নৃশংস’ খুন হিসেবে অভিহিত করে এর নিন্দা জানিয়েছেন।
পলিটিকো তাদের এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, মস্কো ওয়াশিংটনের কাছে একটি বিনিময় প্রস্তাব দিয়েছিল। যদি ওয়াশিংটন ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া বন্ধ করে, তবে ক্রেমলিনও ইরানের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় বন্ধ রাখবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ক্রেমলিন অবশ্য এই প্রতিবেদনটিকে ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষমতাচ্যুত করার পর রাশিয়া এক গুরুত্বপূর্ণ মিত্রকে হারিয়েছে। তবে ইরান—যা রাশিয়ার একটি কৌশলগত অংশীদার—তার ওপর মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার ফলে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মস্কো আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে।