দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগে অংশ নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার এক বিবৃতিতে জানায়, প্রণালীতে নিরাপদ ও অবাধ নৌচলাচল নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় অবদান রাখতে সিউল প্রস্তুত রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, যৌথ বিবৃতিতে অংশ নেওয়া দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় রেখে হরমুজ প্রণালীতে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা স্পষ্ট হয়েছে।
হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতা সরাসরি দক্ষিণ কোরিয়ার জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে বলেও মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। দেশটির প্রায় ৭০ শতাংশের বেশি অপরিশোধিত তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করা হয় এবং এর অধিকাংশই এই প্রণালী দিয়েই আসে।
জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন মোকাবিলায় দক্ষিণ কোরিয়া ইতোমধ্যে জ্বালানির পাইকারি দামে সাময়িক সীমা নির্ধারণ করেছে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লা ও পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মতো বিকল্প পদক্ষেপ নিয়েছে।
এর আগে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও জাপান হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার নিন্দা জানিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি দেয় এবং নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি প্রকাশ করে। পরে বাহরাইন ও কানাডাও একই উদ্যোগে যোগ দেওয়ার আগ্রহ দেখায়।
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ কোটি ব্যারেলের বেশি তেল এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোকে প্রণালী সুরক্ষায় যুদ্ধজাহাজ ও মাইন অপসারণকারী জাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান। তবে এখন পর্যন্ত কোনো দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয়নি, যা নিয়ে তিনি ন্যাটো মিত্রদের কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/