দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হরমুজ প্রণালীর কাছে ছোট ও দ্রুতগতির নৌযানের ‘ঝাঁক’ ব্যবহার করে দুই কনটেইনার জাহাজ জব্দের ঘটনায় নতুন করে শিপিং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে ইরানের নৌ-হুমকি দুর্বল হয়ে গেছে—এমন ধারণা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের দ্রুতগতির এসব নৌযান ভারী মেশিনগান, রকেট লঞ্চার এবং কিছু ক্ষেত্রে জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রেও সজ্জিত। এগুলো এখন হরমুজে ইরানের ‘অসমমিত যুদ্ধকৌশল’-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপকূলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, নৌ-মাইন এবং ইলেকট্রনিক বিঘ্নের সঙ্গে এসব দ্রুতগতির নৌযান মিলিয়ে বহুস্তরীয় হুমকি তৈরি করছে তেহরান।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের আগে ইরানের কাছে এমন শত শত, এমনকি হাজারখানেক নৌযান ছিল। যদিও চলমান সংঘাতে অন্তত শতাধিক ধ্বংস হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি ওয়াশিংটন ইরান সংশ্লিষ্ট সমুদ্রবাণিজ্যে অবরোধ আরোপ এবং জাহাজ আটকের পর তেহরান কৌশল পাল্টে এসব নৌযান ব্যবহার বাড়িয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বড় যুদ্ধজাহাজের বিরুদ্ধে এসব নৌযান সরাসরি টিকতে না পারলেও বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য তা বড় ঝুঁকি। বিশেষ করে ‘হিট অ্যান্ড রান’ কৌশলে দ্রুত হামলা চালিয়ে সরে যাওয়ার সক্ষমতা পরিস্থিতিকে জটিল করছে।
বিশ্বের দৈনিক তেল ও তরলীকৃত গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথে অস্থিরতা বিশ্ব জ্বালানি বাজার ও বীমা ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে বলে সতর্ক করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/