দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত সোমবার ফোনে ইরান যুদ্ধ এবং ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। আলোচনার সময় বিশ্ব তেলের বাজার ও জ্বালানি সংকট নিয়ে দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
ক্রেমলিন জানায়, এই ফোনালাপ পুতিনের হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। পুতিন ইরান যুদ্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করেন এবং হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল তেল উৎপাদনের বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, রাশিয়া, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় মজুদকারী দেশ, আবার ইউরোপীয় গ্রাহকদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতায় কাজ করতে প্রস্তুত।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি পুতিনকে বলেছেন, যদি রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে পারে, তবে সেটি মধ্যপ্রাচ্যের তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহায়ক হবে। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের মাধ্যমে ইউক্রেন সংঘাত দ্রুত সমাধান করা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে তেলের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার তেলের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার পরিকল্পনা করছে। ইতিমধ্যে ভারতের মতো কিছু দেশের জন্য সাময়িকভাবে রুশ অপরিশোধিত তেল কেনার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
ক্রেমলিনের পররাষ্ট্রনীতি–উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ জানান, ফোনালাপটি ‘খুবই অর্থবহ’ ছিল এবং দুই দেশের পরবর্তী পদক্ষেপে ব্যবহারিক গুরুত্ব বহন করবে। তিনি বলেন, ট্রাম্প বিশ্বাস করেন, যুদ্ধবিরতি ও স্থায়ী সমাধানের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং তেলের বাজার স্থিতিশীল হবে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/