দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

থাইল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চলন্ত একটি ট্রেনের ওপর নির্মাণাধীন ক্রেন ভেঙে পড়ে অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৬৪ জন।
স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৯টার দিকে ব্যাংকক থেকে উবন রাতচাথানি প্রদেশগামী ট্রেনটির ওপর দুর্ঘটনাটি ঘটে। ক্রেনটি ট্রেনের ওপর পড়ে সেটিকে লাইনচ্যুত করে এবং কয়েকটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এর মধ্যে একটি বগিতে আগুন ধরে যায়।
সরকারি হিসাবে দুর্ঘটনার সময় ট্রেনে মোট ১৯৫ জন যাত্রী ছিলেন। উদ্ধারকর্মীরা পরে সবাইকে নিরাপদে ট্রেন থেকে সরিয়ে নেন। আহতদের মধ্যে অনেককে আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে এক বছর বয়সী শিশু ও ৮৫ বছর বয়সী বৃদ্ধও রয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় আছেন অন্তত আটজন।
থাইল্যান্ড সরকার দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তা ত্রুটির কারণে একের পর এক প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার ঘটনার পর এটি নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
দুর্ঘটনাকবলিত ক্রেনটি ব্যাংকক থেকে প্রতিবেশী লাওসের সঙ্গে সংযোগকারী একটি উড়াল রেলপথ নির্মাণে ব্যবহৃত হচ্ছিল। চীন সমর্থিত এই প্রকল্পের আওতায় লাওস হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ট্রেনের এক কর্মী থিরাসাক ওংসুংনার্ন স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, ক্রেনটি পড়ার সময় যাত্রীদের অনেকেই ছিটকে ওপরে উঠে যান।
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল বলেন, এই ঘটনায় দায়ীদের শাস্তি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, ‘অবহেলা, নিয়ম না মানা, নকশা থেকে বিচ্যুতি বা নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের কারণেই এমন দুর্ঘটনা ঘটে।’
উল্লেখ্য, নিরাপত্তা মানদণ্ড দুর্বলভাবে প্রয়োগের কারণে থাইল্যান্ডে নির্মাণকাজে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার ঘটনা নতুন নয়।
সূত্র: বিবিসি
এমএস/