দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি বলেছেন, প্রথমেই আমাদের বোঝা জরুরি, বাংলাদেশে কী ধরনের সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। যদি তা অন্তর্বর্তী সরকার হয়, তাহলে দেখতে হবে তারা যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছে, সেগুলো আগামী ৪-৫ বছরের জন্য নাকি শুধু পরবর্তী ৪-৫ মাসের জন্য। সেই অনুযায়ী আমাদের তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন আছে কি না, তা বিচার করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লিতে চলতি বছরের প্রথম সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন জেনারেল দ্বিবেদী।
জেনারেল দ্বিবেদী জানান, এই মুহূর্তে তড়িঘড়ি কোনো প্রতিক্রিয়ার প্রয়োজন আছে কি না, সেটিও পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেই দেখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে ভারতীয় সেনা, নৌ ও বিমান—তিন বাহিনীই বাংলাদেশের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগের চ্যানেল সম্পূর্ণ খোলা রেখেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর একাধিক যোগাযোগপথ সক্রিয় রয়েছে এবং তিনি নিজেও বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

তিনি আরও জানান, কেবল সেনাবাহিনীই নয়, ভারতের নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানরাও তাদের সমমর্যাদার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এর পাশাপাশি ভারত একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে পাঠিয়েছিল, যারা মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো, যাতে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি বা বিভ্রান্তি তৈরি না হয়।
বাংলাদেশের তিন বাহিনী ভারতের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন জেনারেল দ্বিবেদী। তিনি বলেন, আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, আজকের তারিখ পর্যন্ত যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া হচ্ছে, সেগুলোর কোনোটিই ভারতের বিরুদ্ধে নয়।
সামরিক আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, সক্ষমতা উন্নয়ন সব দেশের জন্যই একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং ভারত এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, সক্ষমতা উন্নয়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। ভারত যেমন এটি করছে, অন্য দেশগুলোও করছে। আমাদের প্রস্তুতির দিক থেকে আমরা সেখানে (বাংলাদেশে) পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।
সূত্র: এএনআই
/অ