দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের কিয়েভে দুইজন নিহত হয়েছেন এবং একটি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড দেখা দিয়েছে। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বুধবার এ তথ্য জানান। একই দিনে রাশিয়া তৎক্ষণাৎ যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করায় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে পরিকল্পিত শীর্ষ বৈঠক স্থগিত রাখা হয়েছে।
কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেনকো টেলিগ্রামে জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত হয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ধ্বংসাবশেষ পড়ে আগুন লেগেছে, শহরের প্রায় অর্ধেক এলাকায় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। ইউক্রেনের এনার্জি মন্ত্রী স্বেতলানা হ্রিনচুক বলেন, ‘সারা রাত ধরে শত্রু দেশের শক্তি অবকাঠামোর উপর হামলা চালিয়েছে। এই বৃহৎ হামলা এখনও চলছে।’
কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানিয়েছেন, ডনিপ্রোভস্কি অঞ্চলের এক উচ্চতাপ্রাপ্ত ভবনে আগুন থেকে ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেখানে একজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। তকাচেনকো জানান, আরেকজন ব্যক্তি শহরের হামলায় নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি পেচেরস্কি, দেসনিয়ানস্কি এবং ডারনিৎসকি অঞ্চলেও আগুন লাগেছে। পেচেরস্কি জেলা কিয়েভ পেচেরস্ক লাভ্রা মঠের জন্য পরিচিত, যা ইউক্রেনের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের প্রতীক।
ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাতভর চলা হামলা প্রথমে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে করা হয় এবং পরে ড্রোন হামলা চালানো হয়। রাশিয়ার পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
কিয়েভের আশেপাশের এলাকায় একটি ব্যক্তিগত বাড়িতে আগুন লেগে একজন বৃদ্ধা আহত হয়েছেন। দক্ষিণ-পূর্বের জাপোরিজ্জিয়া অঞ্চলে ১৩ জন আহত হয়েছেন এবং মধ্য ইউক্রেনের পলতাভা অঞ্চলের মিরহরোদে তেল ও গ্যাস অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রাশিয়া ২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরু করার পর থেকে নিয়মিতভাবে ইউক্রেনের শক্তি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করছে, যা তারা ‘বৈধ সামরিক লক্ষ্য’ বলে দাবি করছে। মঙ্গলবারের হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন এবং শত শত হাজার মানুষ বিদ্যুৎ ও পানির সুবিধা হারিয়েছেন। ইউক্রেনের দাবি, এটি শীতের আগে রাশিয়ার সর্বশেষ শক্তি ব্যবস্থা ধ্বংস করার প্রচেষ্টা।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/