দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কিয়েভ চাইলে ইউরোপ ও ন্যাটোর সমর্থনে রাশিয়ার দখল করা সব এলাকা ফিরে পেতে পারে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যুদ্ধ শেষ করতে হলে ইউক্রেনকে কিছু ভূখণ্ড ছাড়তে হতে পারে। তবে এবার তিনি বলেন, রাশিয়ার অর্থনীতি বড় সমস্যায় আছে, এটাই ইউক্রেনের জন্য সুযোগ। রাশিয়াকে তিনি আখ্যা দেন ‘কাগুজে বাঘ’ হিসেবে।
তবে তিনি ক্রিমিয়ার কথা উল্লেখ করেননি, যা রাশিয়া ২০১৪ সালে দখল করে নেয়।
জেলেনস্কি এ অবস্থান পরিবর্তনকে ‘বড় অগ্রগতি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেবে বলে তার ধারণা। যদিও তিনি স্বীকার করেন, নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা এখনো হয়নি।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেন, ট্রাম্পের মন্তব্য তাকে অবাক করেছে, তবে তিনি এটিকে ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন।
এর আগে ট্রাম্প বলেন, রাশিয়ার বিমান বা ড্রোন যদি ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে, তবে তা ভূপাতিত করা উচিত। এ নিয়ে ন্যাটো বৈঠক ডেকে রাশিয়ার আচরণকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বিপজ্জনক’ বলে নিন্দা জানায়।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ন্যাটো দেশগুলো এখন প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়িয়েছে, যা তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তবে তিনি সমালোচনা করেন কিছু দেশকে, যারা এখনো রাশিয়ার জ্বালানি কিনছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের অবস্থান পরিবর্তন তার স্বভাবসুলভ অনিশ্চিত পররাষ্ট্রনীতির অংশ হতে পারে। তবে তার সাম্প্রতিক পোস্টে ইঙ্গিত মেলে, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোকে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখবে, যা পরোক্ষভাবে ইউক্রেনের কাছেও পৌঁছাবে।
সূত্র: বিবিসি
এমএস/