দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, গাজা সংকট সমাধানে শিগগিরই একটি চুক্তি হতে পারে, যার মাধ্যমে হামাসের হাতে থাকা সব জিম্মিকে মুক্ত করা যাবে। এর আগে তিনি ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসকে ‘শেষ সতর্কতা’ দিয়েছেন।
রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক সফর শেষে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, বিমানে বসেই তিনি এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন। ‘আমরা একটি সমাধান খুঁজছি, যা খুবই কার্যকর হতে পারে। খুব শিগগিরই এ নিয়ে খবর শুনবেন। আমরা চাই যুদ্ধ থামুক, আর জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হোক।’ তবে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
এর আগে ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছিলেন, ‘ইসরায়েল আমার শর্ত মেনে নিয়েছে। এখন হামাসেরও মেনে নেওয়ার সময় এসেছে। আমি হামাসকে সতর্ক করেছি— না মানলে তার ফল ভোগ করতে হবে। এটাই আমার শেষ সতর্কবার্তা।’
হামাস এক বিবৃতিতে জানায়, তারা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কিছু প্রস্তাব পেয়েছে এবং সেগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। সংগঠনটি আবারও জানায়, সব জিম্মি মুক্তির বিনিময়ে যুদ্ধ বন্ধের সুস্পষ্ট ঘোষণা এবং ইসরায়েলি সেনাদের গাজা থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার চায় তারা।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, সব জিম্মিকে ফেরানো সম্ভব হবে। কেউ মারা গিয়ে থাকলেও তাদের মরদেহ অন্তত ফিরিয়ে আনা হবে।’
ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম এন১২ নিউজ জানায়, ট্রাম্পের নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির প্রথম দিনেই হামাস অবশিষ্ট ৪৮ জন জিম্মিকে মুক্তি দেবে। এর বিনিময়ে ইসরায়েল হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে এবং যুদ্ধবিরতির সময় গাজায় স্থায়ী সমাধান নিয়ে আলোচনা হবে।
একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেশটি ট্রাম্পের প্রস্তাব ‘গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে’, তবে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
এমএস/