দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের তোশাখানা ও সাইফার মামলায় গ্রেপ্তার ও বিচারকাজ 'আইনি ভিত্তি ছাড়াই' এবং 'রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' বলে মন্তব্য করেছে নির্বিচারে আটকের বিষয়ে কথা বলা জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপ। এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে বাদ দেওয়ার জন্যই তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডন জানিয়েছে, প্রথম তোষাখানার মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিদেশি কর্মকর্তাদের থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যেসব উপহার পেয়েছিলেন ইমরান, সেগুলোর বিস্তারিত তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেন। সেগুলো তিনি বিক্রিও করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই উপহারগুলোকে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বলে দাবি করেন বিরোধীরা।
তোশাখানার দ্বিতীয় মামলায় ইমরান খান ও বুশরা বিবির বিরুদ্ধে সৌদি যুবরাজের কাছ থেকে পাওয়া কিছু অলঙ্কার অল্প দামে অধিগ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত বছরের ৫ অগাস্ট ইসলামাবাদের একটি আদালত ইমরানকে প্রথম মামলায় তিন বছরের সাজা দেয়। পরে লাহোরে তার জামান পার্কের বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পাঞ্জাব পুলিশ।
পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাচনে পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয় পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচন কমিশন। পরে যাইহোক ইসলামাবাদ হাই কোর্ট তার ওই সাজা স্থগিত করে।
পিটিআই নেতা ইমরান খানের এই মামলা, আটক নিয়ে অভিমত ৯৯ সেশনে তুলে ধরেছে জাতিসংঘ। গত ১৮ জুন ওই সেশন হয়। বিভিন্ন আইনি ও বিচারিক বিষয়ের অসঙ্গতি ও অনিয়মের কথা বলা হয় সেখানে। ইমরান খানকে নির্বিচারে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করে জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপ।