দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর হেনস্থার অভিযোগ ঘিরে আলোচিত ঘটনায় গ্রেপ্তার তনয় শাস্ত্রীসহ তিন অভিযুক্তকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বনগাঁ আদালতে পেশ করা হলে বিচারক মোহম্মদ তারিক ফেরদৌস এই নির্দেশ দেন। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি আবারও তাদের আদালতে তোলা হবে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার নিজ বাড়ি থেকে তনয় শাস্ত্রীসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বনগাঁ পুলিশ জেলার সুপার দীনেশ কুমার জানিয়েছিলেন, আজ (৩০ জানুয়ারি) তাদের আদালতে তোলা হবে। সেই মতো এ দিন দুপুরে অভিযুক্তদের বনগাঁ আদালতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বেলা সাড়ে ৩টা নাগাদ বিচারকের এজলাসে পেশ করা হয়।
শুনানির সময় বনগাঁ থানার পুলিশ অভিযুক্তদের নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানায়। তবে সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে আদালত নির্দেশ দেন, নির্দিষ্ট তারিখে পুনরায় পেশ করা পর্যন্ত অভিযুক্তদের সংশোধনাগারেই থাকতে হবে।
ঘটনার সূত্রপাত গত রোববার। সে দিন বনগাঁর নয়া গোপালগঞ্জ এলাকায় একটি মঞ্চানুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। অভিনেত্রীর অভিযোগ, অনুষ্ঠান চলাকালীন তাকে ‘অভদ্রভাবে’ মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বলা হয়। পরে তিনি ই-মেলের মাধ্যমে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মিমির অভিযোগের তদন্তে তনয়ের বাড়িতে গেলে পুলিশকে কাজে বাধা দেওয়া হয়। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগেই তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। যদিও মিমির দায়ের করা অভিযোগের তদন্তও চলছে।
এদিকে গোটা ঘটনা নিয়ে শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন তনয়। এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি দাবি করেন, অনুষ্ঠানে মিমি দেরিতে পৌঁছেছিলেন এবং নির্ধারিত সময় মেনে অনুষ্ঠান শেষ করতেই তারা মঞ্চ খালি করতে বলেছিলেন। তার কথায়, কোনো খারাপ ব্যবহার করা হয়নি।
ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলায় এখনই চূড়ান্ত কিছু বলতে নারাজ পুলিশ। আগামী শুনানির দিকে নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট মহল।
জে আই