দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হিলি স্থলবন্দরে গত দেড় দশক ধরে বিভিন্ন ধরনের পণ্য পড়ে থাকায় তা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মূলত মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা পণ্য এবং বাড়তি শুল্কের কারণে খালাস না নেওয়া পণ্যগুলো বন্দরে দীর্ঘ সময় ধরে গুদামে পড়ে আছে। ফলে সরকারের রাজস্ব ও বন্দরের মাশুল আদায় দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
পানামা হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেড সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বন্দরের চারটি ওয়্যারহাউজ ও ওপেন ইয়ার্ডে ৩ শতাধিক টন পণ্য পড়ে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে থ্রি-পিস, মোটরসাইকেল পার্টস, আঠা, ইয়ার্ন, ডেঙ্গু কিট, আয়রন স্ক্র্যাপ, চাল, পলিশিং স্টোন, টাইলস, মেডিকেল ইকুইপমেন্ট, চায়না ক্লে, স্প্রিং, পাট বীজ ও পোলট্রি হ্যাচারি প্রিমিক্স।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা বলেন, গুদামের সংকট ও আইনি জটিলতার কারণে পণ্য দ্রুত খালাস বা নিলামে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। গুদামের জায়গা দখল থাকায় নতুন পণ্য রাখতে সমস্যা হচ্ছে। তারা দাবি করছেন, নিলামের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা পণ্য সরিয়ে দেওয়া হলে বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে এবং সরকারের রাজস্বও বৃদ্ধি পাবে।
রংপুর কাস্টমস কমিশনারেটের কমিশনার সফিউর রহমান জানিয়েছেন, পণ্যের ইনভেন্টরি ও তালিকা সংগ্রহের পর ঈদের পর নিলামযোগ্য পণ্য নিলাম এবং ধ্বংসযোগ্য পণ্য ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু হবে।
এমএস/