দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সুনামগঞ্জে ধোপাজান নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি জানিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছেন।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পিয়ারপুল এলাকার বেড়িবাঁধের ওপর ‘এসো কাজ করি’ সামাজিক সংগঠন এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
বক্তারা জানান, ধোপাজান নদে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ইজারা না থাকলেও ড্রেজার ব্যবহার করে নদ থেকে অবাধে বালু তোলা হচ্ছে। এতে বেড়িবাঁধের স্থায়িত্বহানি এবং স্কুল-কলেজ, জনবসতি ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন স্থানীয় রতারগাঁও উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মুহসীন আহমদ, শিক্ষক হাবিবুর রহমান, আবদুল হালিম, আবুল মনসুর ও শিক্ষার্থী নাঈম আহমদ এবং আশরাফুল ইসলাম।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধোপাজান নদ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সুরমা নদীতে মিশেছে। ২০১৮ সাল থেকে নদটির ইজারা বন্ধ রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে নদে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন শুরু হয়।
এর মধ্যে ‘লিমপিড ইঞ্জিনিয়ারিং’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ কোটি ২১ লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। প্রতিষ্ঠানটি সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজে বালু ব্যবহার করবে।
পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী ও স্থানীয়রা আরও জানান, অনুমোদিত বালু উত্তোলন ছাড়াও নদে অবৈধভাবে বালু তোলা অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) ১৭ সেপ্টেম্বর এই বিষয়ে চারটি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ১৭ জনকে চিঠি পাঠিয়ে নদ থেকে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ ও অনুমতি বাতিলের দাবি জানিয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত দেশের আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং আদালত অবমাননার সমান।
এমএস/