দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চাঁদপুরের কচুয়ায় ৯ বছরের শিশু ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা মাদরাসার শিক্ষক কাজী আসাদ (৫৫)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২২ ডিসেম্বর) তাকে পৌরসভার কাজী বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত কচুয়া পৌরসভার হাট কচুয়া গ্রামের কাজী বাড়ির মৃত কাজী আবদুল ওয়াদুদ এর ছেলে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার মা কচুয়া থানায় রোববার একটি মামলা দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার শিশুটি কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) মহিলা মাদরাসার ৩য় শ্রেণির ছাত্রী। সে ওই মাদরাসার হোস্টেলে থেকে আবাসিক ছাত্রী হিসেবে লেখাপড়া করে আসছিল।
গত ১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় শিশুটি খাবার পানি আনার জন্যে প্রতিষ্ঠানের নিচতলায় গেলে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল কাজী মো. আসাদ উল্যাহ তার কক্ষে ডেকে নিয়ে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তার সহপাঠী ও পরিবারকে ধর্ষণের বিষয়ে খুলে বললে শিশুটির মা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্যে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
শিশুটির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে কর্মরত চিকিৎসক তাকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। দীর্ঘ ১০ দিন চিকিৎসা শেষে রোববার শিশুটির মা কচুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী ২০২০)-এর ৯ (১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে কচুয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিয়াউল হক বলেন, শিশুটির মা রোববার মামলা করার পর অভিযুক্ত ধর্ষণকারী কাজী মো. আসাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারা ৯ (১) অনুযায়ী বিকালে চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত কাজী আসাদের এক স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
আরএ