দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পৌষের শেষ ভাগে এসে হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গার জনপদ। অধিকংশ দিনই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না এই জেলায়। এদিকে শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তবে শনিবার (১৩ জানুয়ারি) এই জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এছাড়াও বোরো ধানের বীজতলায় কুয়াশায় কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছে কৃষকরা। তবে চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাষ চন্দ্র সাহা জানান, যেহেতু এখন বীজতলার শেষ পর্যায়, চারা বপন করার সময় চলে এসেছে ক্ষতির আশঙ্কা কেটে গিয়েছে। তারপর ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। অপর দিকে সরেজমিনে দেখা গিয়েছে হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বেশি আক্রান্ত হচ্ছে বয়স্ক ও শিশুরা।
চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনে খোঁজ নিয়ে দেখা গিয়েছে কুয়াশার কারণে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এতে যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছে।
তবে এই শীত ও কুয়াশায় সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে দিনমুজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ। ফার্মপাড়া এলাকার ভ্যানচালক নবীছদ্দীন জানান, এই শীতে বাড়ি থেকে বের হওয়া কষ্টকর। শুধু পেটের তাগিদে ভ্যান নিয়ে বের হওয়া। যদি কেউ কম্বল বা সোয়েটার দিত গায়ে জড়িয়ে ভ্যান চালাতে পারতাম।
সিনেমা হল পাড়ার সেলুনের দোকানি রাবন আলী জানন, শীতে জীবন শেষ হয়ে গেল। দৌলতদিয়ার ট্রাক চালক মাকন আলী জানান, কুয়াশা গাড়ি চালানো অনেক রিক্স হয়ে যাচ্ছে। ১০ হাত দূরে আর কিছু দেখা যায় না।
জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা জানান, ইতোমধ্যেই উপজেলাগুলো শীতার্থদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং বিতরণও শুরু করেছে।
জেবি