দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ইনজুরি টাইমের শেষভাগে নাটকীয় মুহূর্তে গোল করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে লিওনেল মেসি। ফিরতি বল থেকে জালের দেখা পান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। আর সেই গোল উদযাপনই হয়ে উঠেছে এক সাংবাদিকের জীবনের অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।
গোল করার পর সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপনে না গিয়ে গোলবারের পেছনে থাকা এক সাংবাদিকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে উদযাপন করেন মেসি। মুহূর্তটি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। মেসির সঙ্গে এমন উদযাপনের সৌভাগ্য পাওয়া ওই সাংবাদিককে নিয়ে শুরু হয় আলোচনাও।
ওই সাংবাদিকের নাম হোয়াকিন ব্রুনো। তিনি আর্জেন্টিনার ফুটবলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ও ব্রডকাস্ট চ্যানেল টিওয়াইসি স্পোর্টসের সঙ্গে যুক্ত। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে মেসির দ্বিতীয় গোলের পর এই বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী হন তিনি।
টিওয়াইসি স্পোর্টসকে দেওয়া অনুভূতিতে ব্রুনো বলেন, ‘আমি এখনও কাঁপছি, যেন ঘোর কাটিয়ে উঠতে পারছি না। এটি সত্যিই কঠিন এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ ছিল, আর আমার স্নায়ুগুলো তখন টানটান উত্তেজনায় ছিল। আমি প্রচণ্ড নার্ভাস ছিলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঠিক সেই মুহূর্তে আমি গোলপোস্টের পেছনে একা ছিলাম। এটি ছিল ৯৫তম মিনিট, যখন সেই নাটকীয় মুহূর্তটি ঘটল। প্রথমে হুলিয়ান আলভারেজ শট নেন, শ্লাগার সেটি ঠেকিয়ে দেন। ফিরতি বল মেসি পেলেও গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডাররা বাধা দেন। শেষ পর্যন্ত তৃতীয় প্রচেষ্টায় মেসি গোল করেন।’
ব্রুনোর ভাষায়, ‘আমি মাত্র কয়েক মিটার দূরেই ছিলাম। অন্য যেকোনো ভক্তের মতোই আমি চিৎকার করছিলাম। এরপর দেখি মেসি আমার দিকে আসছে। সে এসে আমাকে হাই-ফাইভ দেয়।’
এই অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে আবেগে ভেসে যান তিনি। ব্রুনো বলেন, ‘একজন আর্জেন্টাইন ফুটবল ভক্ত এবং মেসির অনুরাগী হিসেবে আমি যা অনুভব করছি, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। এই মুহূর্ত এবং এই ছবিটি আমি সারাজীবন মনে রাখব।’
এমএস/