দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ধর্ষীতা নারীর ইজ্জতের মূল্য মাত্র ২০ হাজার টাকা। তা নিয়ে মামলা নিস্পত্তির আহ্বান খোদ সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তার। শুধু ধর্ষণ নয়, বিয়ের দাবি করায় অমানুষিক নির্যাতনও চলে ধর্ষীতা নারীর ওপর।
দেশ টিভির অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমন চিত্র। অনুসন্ধান বলছে, নায়িকা বানোর প্রলোভনে রাজধানীর বিলাসী হোটেলে দিনের পর দিন ভুক্তভোগী নারীকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত ভুয়া চলচ্চিত্র প্রযোজক মাহমুদুল হাসান।
সিনেমার নায়িকা বানানোর প্রলোভনে প্রথমে ধর্ষণ, পরে অমানুষিক নির্যাতন চলানোর অভিযোগ ভুয়া চলচ্চিত্র প্রযোজক মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে । লোমহর্ষক সে ঘটনার বর্ণনা উঠে আসে ভুক্তভোগী নারীর মুখে।
ঘটনার বিচার পেতে এক বছর আগে করেছেন মামলা। তবে, ধর্ষীতার মেডিক্যাল ও ঘটনার তদন্ত না করে উল্টো আসামির থেকে টাকা নিয়ে বসে আছেন সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা খালেদা ইয়াসমিন। মাত্র ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে মামলা নিষ্পত্তির জন্য এখন চাপ দিচ্ছেন খোদ তদন্ত কর্মকর্তা।
আসামির থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অকপটেই স্বীকার করেছেন খালেদা ইয়াসমিন।
ভুক্তভোগী নারী বলছেন, মাহমুদুল হাসানের টাকা আর ক্ষমতার কাছে বার বারই বিক্রি হচ্ছে পুলিশ কর্মকর্তারা। বগুড়ায় ডেকে হামলা আর পাল্টা মামলাও দিয়েছে সে।
ঢাকা ছাড়লেও ধর্ষণ মামলার আসামি মাহমুদুল হাসান বগুড়া শহরে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। হতে হয়রানি গ্রেপ্তার, যেতে হয়নি কারাগারে। অস্বীকার করেন টাকা দিয়ে পুলিশ ম্যানেজ ও ধর্ষণের ঘটনা।
তবে দেশ টিভির হাতে আসা একাধীক তথ্য প্রমাণ বলছে, স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে দিনের পর দিন মাহমুদুল হাসান ওই নারীর সঙ্গে একান্ত সময় কাটিয়েছেন বিলাসী হোটেলে।
ভিডিও ফুটেজ বলছে, বিয়ের দাবিতে বগুড়া গেলে মাহমুদুল হাসানের নির্যাতনের শিকারও হয়েছে ওই নারী।
তবে সিআইডির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, আসামির থেকে টাকা নিয়ে মামলা নিষ্পত্তির চেষ্টা দুঃখজনক ঘটনা। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত কর্মকর্তা খালেদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবেন তারা।
অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসানের বন্ধু আজিজ কায়সার ও সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা খালেদা ইয়াসমিনের ঘুষ লেন দেনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগি নারী।
কে