দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজধানীর গাবতলী গরুর হাট দখল করেছেন সোহেল নামে ছাত্রদলের এক নেতা।
দেশ টিভির অনুসন্ধান বলছে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের দরপত্রে পঞ্চম হয়েও বিএনপি নেতা এস এ সিদ্দিক সাজুর হয়ে হাটটি দখলে নিয়েছেন তিনি। নীতিমালা ভঙ্গ করে খাস আদায়ের নামে এমন দখলকেই পৃষ্ঠপোষকতা করছে খোদ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ দরদাতারা।
দল-বল নিয়ে গাবতলী গরুর হাট দখলে নিয়েছেন বিএনপি নেতা সোহেল রহমান। ঘটনার সত্যাতা অনুসন্ধানে গাবতলী গরুর হাটে দেশ টিভি টিম।
হাসিল ঘরে হাসিল তুলছে কারা এরা। জানতে চাইলে নিজেরাই জানান ইজারাদার নেই, তারা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন গরুর হাট। নিয়ন্ত্রণের নামে দখলের নেতৃত্বে উঠে আসে বিএনপি নেতা সোহেল রহমানের নাম।
সোহেলের মুখোমুখি হতে অফিস কক্ষে ঢুকতেই দেশ টিভির ক্যামেরা দেখে কৌশলে শটকে পড়েন সোহেল। দীর্য অপেক্ষার পর ছাগলের হাটে পাওয়া যায় তাকে। তবে তার দাবি খাস আদায় করছে সিটি কর্পোরেশন, তারা দিন মজুর হিসেবে কাজ করছেন।
তবে হাটের ব্যবসায়ী পাইকাররা বলছেন, সিটি কর্পোরেশনের দোহাই দিয়ে দারুসসালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এ সিদ্দিক সাজুর হয়ে হাট দখলে নিয়েছেন সোহেল।
দেশ টিভির অনুসন্ধান বলছে, নিজেকে দিন মজুর হিসেবে দাবি করা সোহেল রহমান ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। দারুসসালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এ সিদ্দিক সাজুর একান্ত কর্মী তিনি।
সিদ্দিক গাবতলি গরুর হাটের দরপত্রে অংশ নিয়ে ৫ম হয়েছেন। অথচ দরপত্রে প্রথম হয়েও হাটে ঢুকতে পারছে না আরাত মটর।
দেশ টিভির হাতে আসা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের একাধীক নথিপত্র বলছে, আরাত মটর সর্বোচ্চ দরদাতা, তাকে হাটের ইজারা বুঝিয়ে দিতে সুপারিশ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি।
তাহলে কেন সর্বোচ্চ দরদাতাকে রেখে, দরদাতা হিসেবে ৫ম হওয়া ব্যক্তিকে বেছে নিলো সিটি কর্পোরেশন। প্রশ্ন ছিল ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের কাছে।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের লাভের দোহাই দিয়ে খাস আদায়ের দাবি করলেও হাট ইজারার নীতিমালা বলছে, হাট সর্বোচ্চ দরদাতাকেই দিতে হবে। তিনবার দরপত্র আহবান করেও যদি সর্বোচ্চ দর সরকারি মূল্যের চেয়ে কম হয় তবেই সিটি কর্পোরেশন নিজেরা খাস আদায় করতে পারবে। তবে দরপত্রে অংশ নেয়া আরাত মটর সরকারি মূল্যের থেকেও ৭ কোটি ৬৩ লাখ ২০ হাজার ৭০০ টাকা দর বেশি দিতে চেয়েছে।
কে