দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৩) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নাফিস মন্ডল (১৮) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। সে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ফকির পাড়া গ্রামের এলেম মণ্ডলের ছেলে।
রোববার (১০ মে) বিকেলে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এদিকে ঘটনার মূল হোতা কথিত প্রেমিক রায়হান শেখ (১৮) পলাতক রয়েছে। সে গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের হাউলি কেউটিল গ্রামের আবদুল কুদ্দুস শেখের ছেলে।
ধর্ষণের শিকার কিশোরী ও তার পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ওই কিশোরী গোয়ালন্দের একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। স্কুলে যাতায়াতের পথে অভিযুক্ত রায়হান শেখের সাথে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।
শনিবার (৯ মে) রাত ১০টার দিকে রায়হান ওই স্কুলছাত্রীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাকে ফোন করে বাইরে আসতে বলে। এ সময় ওই কিশোরী এত রাতে বের হতে অস্বীকৃতি জানালেও রায়হানের অনুরোধে সরল বিশ্বাসে ঘর থেকে বের হয়। এরপর রায়হান তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে দ্রুত রওনা দেয়। এরপর তাকে নিয়ে যায় গোয়ালন্দ পৌর শহরের নগর রায়েরপাড়া এলাকার হাবি কনসার্টের নির্জন পুকুরপাড়ে। সেখানে প্রথমে কথিত প্রেমিক রায়হান এবং পরবর্তীতে তার বন্ধু নাফিস ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে।
ওই স্কুলছাত্রী জানায়, ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ধর্ষণকারীরা তার মুখ ও হাত চেপে ধরে এবং সেই সাথে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এরপর রাত ১২টার দিকে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী কিশোরীকে তার বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছে দিতে যায়। এসময় তাদের অস্বাভাবিক আচরণ ও কিশোরীর অবস্থা দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। স্থানীয়রা জড়ো হতে থাকলে নাফিস পালানোর চেষ্টা করলে জনতা তাকে ধাওয়া দিয়ে ধরে ফেলে। কিন্তু, কথিত প্রেমিক রায়হান শেখ কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। গভীর রাত হওয়ায় নাফিসকে স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়িতে আটকে রাখে। সকালে খবর পেয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ নাফিসকে হেফাজতে নেয়। সংবাদ বিশ্লেষণ সেবা
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের অভিযোগে নাফিস নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। সেই সাথে ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কাজ চলছে। এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদি হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান। এছাড়া ঘটনার মূলহোতা পলাতক কথিত প্রেমিককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
জে আই