দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

একটি কম্বল পেয়ে খুশি তৃণমূলের সাধারণ মানুষ। কম্বলটি হাতে নিয়ে আনন্দের অশ্রু ঝরছে এসব তৃণমূলের অবহেলিত সাধারণ মানুষের চোখে। আবার একটিমাত্র কম্বল না পেয়ে অনেকে চেয়ারম্যানের দেওয়া আশ্বাস নিয়ে ভারাক্লান্ত মন নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন বাড়িতে। এমনই চিত্র দেখা যায় রাজবাড়ী জেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে।
একটি কম্বল হাতে নিয়ে মধ্যবয়সী এক নারী বলেন, প্রচণ্ড শীত। বাড়িতে লেপ-তোশক নেই। ঘরের জানালা দিয়ে কনকনে বাতাস আসে। এর মধ্যে পরিবারের সব সদস্য নিয়ে সারারাত শীতে কষ্ট করতে হয়। অর্থাভাবে শীতের প্রয়োজনীয় কাপড় কিনতে পারি না। বাধ্য হয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের কাছে ছুটে আসতে হয়। তবে কম্বলটি পেয়ে অনেক ভালো লাগছে। এই একটিমাত্র কম্বলের কারণে আজ রাতে শীতে কষ্ট কম হবে।
পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক বৃদ্ধ ব্যক্তি বলেন, একটি কম্বলে আজ সারারাত ভালোভাবে ঘুমাতে পারব। তবে আরও একটি কম্বল হলে ভালো হতো। তবুও দিন শেষে কম্বলটি পেয়ে মন ভালো হয়ে গেল।
এসময় কম্বল না পাওয়া অনেক ব্যক্তি চেয়ারম্যানের আশ্বাস পেয়ে চলে যাচ্ছেন। কম্বল না পাওয়া অনেকে বলেন, বাড়তি আয়-রোজগার নেই। যে কারণে শীতের বাড়তি কাপড় কিনতে পারছি না। এখানে এসে জানতে পারলাম কম্বল শেষ হয়ে গেছে। আগামীকাল দেওয়া হবে। চেয়ারম্যানের আশ্বাস নিয়ে চলে যেতে হচ্ছে। জানি না, আগামীকাল কম্বল পাব কিনা।
সোমবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে জেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ক্যাম্পসে চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান মন্ডলের সভাপতিত্বে কম্বল বিতরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা মুন্সি, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুর রশিদ টিটু, ইউপি সদস্য ফজলু রহমান ও ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, চাহিদার তুলনায় কম্বলের সংখ্যা অনেক কম। আজ এই ইউনিয়নে মাত্র ২৮৫টি কম্বল দেওয়া হচ্ছে। হয়ত ১-২ দিনের মধ্যে আরও কিছু কম্বল দেওয়া হবে।
এইউ