দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দেশজুড়ে ধূমপান নিষিদ্ধের পরিকল্পনা থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। জাসিন্ডা আর্ডার্নের নেতৃত্বাধীন সরকার ধূমপান নিষিদ্ধের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিল। ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০০৮ সালের পরে জন্ম দেওয়া ব্যক্তিরা আগামী বছর থেকে নিউজিল্যান্ডে সিগারেট কিনতে পারতেন না। খবর বিবিসি’র।
নিউজিল্যান্ডে প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর শীর্ষ কারণ হচ্ছে ধূমপান। তরুণ প্রজন্ম যেন এই অভ্যাস থেকে বিরত থাকতে পারে, এজন্য এই পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিল নিউজিল্যান্ড সরকার। তবে নিউজিল্যান্ডের বর্তমান সরকার সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো।
এদিকে হঠাৎ করে আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার কড়া সমালোচনা করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। ওটাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও একজন তামাক নিয়ন্ত্রণ গবেষক অধ্যাপক রিচার্ড এডওয়ার্ড বলেন, আমরা আতঙ্কিত এবং বিরক্ত। এটি বিশ্ব-নেতৃস্থানীয় চমৎকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি অবিশ্বাস্য বিপরীতমুখী পদক্ষেপ।
বিবিসিকে তিনি বলেন, নিউজিল্যান্ডের বেশিরভাগ স্বাস্থ্য গ্রুপ সরকার যা করেছে তাতে হতবাক এবং তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছে।
গত বছর সিগারেট বিক্রি নিষিদ্ধের ওই আইন পাস করার পর বিশ্ব অঙ্গনে প্রশংসা কুড়ায় নিউজিল্যান্ড। শুধু সিগারেট বিক্রি নিষিদ্ধই নয় তামাকজাত পণ্যের খুচরা বিক্রেতার সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং নিকোটিনের মাত্রাও কমানোর কথা বলা হয়েছিল ওই আইনে।
এক মডেলের মাধ্যমে দেখা যায়, ধূমপানমুক্ত ওই আইন কার্যকর করা গেলে প্রতি বছর ৫ হাজার পর্যন্ত মানুষের জীবন বাঁচানো যেত। নিউজিল্যান্ডের এমন যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের পর গত সেপ্টেম্বরে একই ধরনের আইন প্রণয়নের ঘোষণা দেয় যুক্তরাজ্যের সরকার।
এইউ