দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মিথ্যাচার করে জিয়াউর রহমানের অবদান মুছে ফেলা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আজকে কত বছর হয়ে গেল জিয়াউর রহমানের নাম কি মুছে ফেলতে পেরেছে। পারে নাই, পারবেও না।
শুক্রবার (১৮ আগস্ট) সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, যারা আজকে মিথ্যা প্রচার চালান, বলেন- ১৫ আগস্টের ঘটনায় জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন তাদের একটাই উদ্দেশ্য, তাকে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং ইতিহাস থেকে একেবারে মুছে ফেলা। তবে সেটা সম্ভব নয়।
পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের ঘটনার সঙ্গে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ বক্তব্যকে ‘মিথ্যাচার’ অভিহিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, শুধুমাত্র ইতিহাস বিকৃতির জন্য এটি বলা হচ্ছে। সরকার পতনের এক দফার চলমান আন্দোলন থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতে এবং আন্দোলনকে বিপথে পরিচালিত করতে এসব কথা বলা হচ্ছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, বলা হয়- শেখ মুজিবের হত্যার সঙ্গে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন। তখন তো বিএনপির জন্মই হয়নি। জিয়াউর রহমান তখন সেনাবাহিনীর প্রধানও ছিলেন না। তিনি ছিলেন ডেপুটি প্রধান। অথচ যারা তখন সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান এবং বিমানবাহিনী প্রধান ছিলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর তারা খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে গঠিত সরকারের প্রতি স্যালুট করে আনুগত্য প্রকাশ করেছিলেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমান সিপাহী জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। এর আগে আওয়ামী লীগ করেছিল একদলীয় শাসন ব্যবস্থা। সব পত্রিকা বন্ধ এবং মানুষের অধিকার হরণ করেছিল। মাত্র সাড়ে তিন বছরে জিয়াউর রহমানের আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের নানা পদক্ষেপও তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব।
তিনি আরও বলেন, দেশ আজ গভীর সংকটে। এ সংকট থেকে মুক্তির পথ আমাদের দেখান জিয়াউর রহমান। কারণ, ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমান বুকে সাহস নিয়ে, বল নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। এটা একটা বিরল ব্যাপার। কোনো সাধারণ মানুষের পক্ষে এটা সম্ভব না। এরই ধারাবাহিকতায় দেশনেত্রী খালেদা জিয়া পরবর্তীকালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আবারও দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।
ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকার ফ্যাসিবাদী, লুটেরা এবং জনগণের সম্পদ হরণকারী সরকার। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ।
আরএ