দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সরকার দেশে উন্নয়নের কথা বলেন, তাহলে সঠিক নির্বাচন আয়োজনে ভয় পান কেন? এমন প্রশ্ন করেছেন ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
শুক্রবার (২০ অক্টোবর) বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ চত্বরে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আগামী ৩ নভেম্বর (শুক্রবার) ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দেন চরমোনাই পীর।
চরমোনাই পীর বলেন, বাংলাদেশের মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে দেশের উন্নয়ন হয়েছে। যেখানে লাগবে ১০ টাকা, সেখানে আপনারা খরচ দেখিয়েছেন ১০০ টাকা। এর হিসাব বাংলার জমিনে দিতে হবে।
মুফতি রেজাউল করীম বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছেন, ‘দিল্লি আছে তো আমরা আছি।’ তার দেওয়া বক্তব্যে প্রশ্ন আসে, তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বীকার করেন কি না। বর্তমানে বাংলাদেশকে মানুষের দেশ বলা যায় না। যারা রাতের ভোটে অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে, তারা মানুষকে মানুষ বলে গণ্য করছে না।
এছাড়া তিনি চলতি সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনপদ্ধতির প্রবর্তন ও নির্বাচন কমিশন বাতিলের দাবিতে আগামী ২৭ অক্টোবর (শুক্রবার) সারা দেশে জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি দেন।
সমাবেশে দলটির নেতারা বলেছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন হবে না। তারা সরকারকে বলেন, ২০১৪ ও ২০১৮ মতো আর আপনারা নির্বাচন করতে পারবেন না। তাই আগেই জাতীয় সরকার হাতে ক্ষমতা দিয়ে পদত্যাগ করুন।
ইসলামী যুব আন্দোলন এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের এ সমাবেশে যুবদল সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু এবং ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল বক্তৃতা করেন। সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে বিএনপির সঙ্গে যোগ দিতে তারা চরমোনাইয়ের পীরের দলের প্রতি আহ্বান জানান।
দক্ষিণ গেটে সাধারণত আওয়ামী লীগ সভা-সমাবেশে করে। পূজার কারণে সোহরওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি না পেয়ে সেখানে ছাত্র-যুব সমাবেশ করে ইসলামী আন্দোলন। শুক্রবার সকাল থেকেই সমাবেশস্থলে জমায়েত হন দলের নেতাকর্মীরা। অন্যান্য বিরোধী দলের কর্মসূচি পুলিশের বাধার অভিযোগ থাকলেও ইসলামী আন্দোলন নির্বিঘ্নে সমাবেশ করছে।
আরএ