দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গত ২৬ দিন ধরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে গত মাসের ৯ আগস্ট হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে। বর্তমানে হাসপাতালের কেবিনে রেখেই বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা চলছে।
বিএনপির সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে ভর্তির সময় খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা যেমন ছিল, সেই অবস্থা থেকে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। কিন্তু তার অবস্থা খুব বেশি ভালো—এটা বলা যাচ্ছে না। যে কারণে তিনি কবে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে বাসা ফিরবেন সেটিও বলা যাচ্ছে না।
বিএনপির চেয়ারপারসনের মিড়িয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে বলেন, ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) কেবিনে আছেন। উনার চিকিৎসা চলছে। তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
চিকিৎসকদের সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আশানুরূপ উন্নতি হয়নি। তার লিভার সিরোসিসের সমস্যা নিয়মিত বিরতিতে দেখা দিচ্ছে। যেটা বারবার ওষুধ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। কারণ এই মুহূর্তে বাংলাদেশে এই রোগের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সম্ভব নয়। এর ফলে লিভারের সঙ্গে সংযুক্ত অন্যান্য রোগগুলো কখনও কখনও বেড়ে যায়। তখন সেই রোগগুলো চিকিৎসা দিতে হয়। যেগুলো বাসায় রেখে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়।
বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, আগের মতোই আছে ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা। খুব বেশি ভালো যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, ম্যাডামতো অনেকগুলো রোগে আক্রান্ত। এরমধ্যে এখন লিভার সিরোসিসটা বড় সমস্যা। এখানে কোনো রকম জোড়াতালি দিয়ে চিকিৎসা চলছে। উনার মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা তো বারবার বলেছেন—ম্যাডামের উন্নত চিকিৎসা দরকার। যেটা বাংলাদেশে সম্ভব নয়। তাকে বিদেশে অ্যাডভান্স সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন।
এদিকে রোববার রাতে খালেদা জিয়াকে দেখতে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খালেদা জিয়ার শয্যার পাশে দীর্ঘ ৪০ মিনিট অবস্থান করেন তিনি। এ সময় ৭৮ বছর বয়সী সাবেক তিন বারের এই প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন তিনি।
সর্বশেষ গত ১৩ জুন রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সে সময় হাসপাতালে পাঁচ দিন চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নিয়ে আসা হয়।
আরএ