দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী ও সেবাগ্রহীতাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘মানসিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ও অধিকার ফোরাম’ নামে একটি স্বতন্ত্র প্ল্যাটফর্মের যাত্রা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ফোরামের প্রথম আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
উদ্যোক্তারা জানান, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা একটি সংবেদনশীল ও মানবিক সেবা ক্ষেত্র। এ খাতে সেবা প্রদানকারী পেশাজীবীদের জন্য নিরাপদ, সম্মানজনক ও বৈষম্যহীন কর্মপরিবেশের পাশাপাশি সেবাগ্রহীতাদের গোপনীয়তা, মর্যাদা, সম্মতি এবং নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দুই পক্ষের অধিকার ও দায়িত্বকে সমান গুরুত্ব দিয়ে আস্থাশীল ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করাই ফোরামের অন্যতম লক্ষ্য।
ফোরামটি মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের নিরাপদ ও সম্মানজনক কর্মপরিবেশ তৈরিতে সচেতনতা ও নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করবে। পেশাজীবীরা যাতে ভয়, হয়রানি, বৈষম্য বা অযাচিত চাপের বাইরে থেকে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে বিষয়ে আলোচনা ও উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি পেশাগত দায়িত্ব, নৈতিকতা ও জবাবদিহিতার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সেবাগ্রহীতাদের অধিকার রক্ষায় ব্যক্তিগত ও চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা, ব্যক্তিগত মর্যাদা, অবহিত সম্মতি, নিরাপদ চিকিৎসা এবং যথাযথ পেশাগত আচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। সেবাগ্রহীতারা যেন নিজেদের অধিকার সম্পর্কে জানতে পারেন এবং প্রয়োজনের সময় তা যথাযথভাবে তুলে ধরতে পারেন, সে বিষয়েও কাজ করবে ফোরাম।
মানসিক স্বাস্থ্যসেবা খাতে হয়রানি, বৈষম্য, অনিয়ম, পেশাগত অসদাচরণ বা অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ দায়িত্বশীলভাবে আলোচনার জন্য একটি কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। অভিযোগ বা বিরোধের ক্ষেত্রে গুজব, অপপ্রচার, ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একতরফা প্রচারের পরিবর্তে তথ্য, প্রমাণ, ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
এ ছাড়া আলোচনা সভা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম, মতবিনিময়, পেশাগত আলোচনা ও প্রশিক্ষণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবী ও সেবাগ্রহীতাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, পেশাজীবী সংগঠন ও কর্তৃপক্ষের কাছে নীতিগত সুপারিশও উপস্থাপন করবে ফোরাম।
প্রথম আহ্বায়ক কমিটি আগামী তিন মাস সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এ সময়ে সদস্য সংগ্রহ, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ, নীতিমালা ও কার্যক্রমের কাঠামো প্রণয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার ভিত্তি তৈরির কাজ করা হবে।
আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ শেষে ফোরামের সাধারণ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করা হবে।
প্রথম আহ্বায়ক কমিটিতে রয়েছেন- আফিয়া জামান, উজ্জল বালা, এস এম শহিদুল ইসলাম হৃদয়, জামিউল ইসলাম, তেরেসা ডায়না গোমেজ, নুসরাত জাহান আঁখি, ফারিয়া ফারিন ত্রিনা, মেহেদি হাসান অপু, মো. আবিদ হোসেন, রুদাইনা তাসকিন শীলান, লিমা রংমা, শাকিলা সুলতানা স্বাতী, শারমিন ইসলাম, শাওনা, শামস মোহাম্মদ ইমন, সাঈকা সাঈদ, সাগর বড়ুয়া ও হুরাইয়া কবির হ্যাপি।
যে আই