দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মঙ্গলবার ( ১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে অবস্থান নিয়েছেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। তবে সেখানে দেখা যায়নি ব্যাংকটির চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।
এর আগে টানা দুই দিন রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের সামনে মুখোমুখি অবস্থান নেন সচেতন গ্রাহক ফোরাম ও চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সোমবার অবস্থানের দ্বিতীয় দিনে গ্রাহক ফোরামের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। গ্রাহক ফোরামের দাবি, চাকরিচ্যুত ব্যাংক কর্মকর্তাদের হামলায় তাঁদের পাঁচজন গুরুতরসহ মোট ৩০ জন সদস্য আহত হন। অন্যদিকে, চাকরিচ্যুত ব্যাংক কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকেও ২৫ জন আহত হওয়ার দাবি করা হয়।
এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকেই মতিঝিলের দিলকুশা এলাকায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের আশপাশে অবস্থান নেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। পরে মিছিল নিয়ে সকাল ১০টার দিকে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে অবস্থান নেন তাঁরা। তবে মতিঝিলের দিলকুশা এলাকায় চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের দেখা যায়নি।
এদিকে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সেখানে পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য এবং ইসলামী ব্যাংকের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মীরা উপস্থিত রয়েছেন।
সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, ইসলামী ব্যাংককে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অশুভ তৎপরতা ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে গ্রাহকেরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, ব্যাংকের স্থিতিশীলতা ও গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। একই সঙ্গে এস আলম গ্রুপের বিদেশে পাচার করা সম্পদ উদ্ধার ও ব্যাংকের স্বার্থে তা বাজেয়াপ্ত করতে হবে। অবৈধভাবে নেওয়া ঋণ সুবিধার সমন্বয় এবং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির মাধ্যমে দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
নুরুন্নবী মানিক আরও বলেন, ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৪(খ) ধারা অনুযায়ী এস আলম গ্রুপের অবৈধভাবে ধারণ করা শেয়ার বাজেয়াপ্ত করে তা বাজারে বিক্রি অথবা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে। এসব দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
এমএম/