দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাসই গড়ে তুলতে পারে সুস্থ ও সক্রিয় মস্তিষ্ক। গবেষকরা বলছেন, নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মানলে মনোযোগ বাড়ে, স্মৃতিশক্তি উন্নত হয় এবং চিন্তাভাবনা হয় আরও স্বচ্ছ। চমকপ্রদ ব্যাপার হলো, এসবের জন্য বড় কোনো পরিবর্তন নয় বরং অল্প সময়ের সহজ অনুশীলনই যথেষ্ট।
চলুন জেনে নেওয়া যাক মস্তিষ্কবান্ধব ৫টি অভ্যাস-
১. প্রতিদিন ২০ মিনিট দক্ষতা অনুশীলন:
নিউরোপ্লাস্টিসিটি বা মস্তিষ্কের অভিযোজন ক্ষমতা বাড়াতে নতুন কিছু শেখা দারুণ কার্যকর। একটানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা নয়, বরং মাত্র ২০ মিনিট মনোযোগী চর্চাই যথেষ্ট। নতুন ভাষার শব্দ শেখা হোক বা কোনো বাদ্যযন্ত্রে হাত পাকানো এই অনুশীলন মস্তিষ্ককে চ্যালেঞ্জ দেয় ও সক্রিয় রাখে।
২. পেছনের দিকে হাঁটার অভ্যাস:
অদ্ভুত শোনালেও, গবেষণা বলছে পেছনের দিকে হাঁটলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। এই ভিন্নধর্মী নড়াচড়া মস্তিষ্ককে বাড়তি চাপ দেয়, মনোযোগ ও সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত করলে মস্তিষ্ক নতুনভাবে চিন্তা করার অভ্যাস গড়ে তোলে।
৩. টাইপ নয়, হাতে লিখুন:
কীবোর্ড নয়, কলম-কাগজেই আছে সৃজনশীলতার চাবিকাঠি। হাতে লেখা একাধিক স্নায়ু সার্কিট সক্রিয় করে যা গভীর বোঝাপড়া ও আবেগ প্রক্রিয়ায় সহায়ক। প্রতিদিন মাত্র ১০ মিনিট নিজের ভাবনা লিখে রাখলে মন পরিষ্কার হয়, চিন্তা হয় স্থির।
৪. ফার্মেন্টেড খাবারের জাদু:
অন্ত্রের স্বাস্থ্য আর মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের মধ্যে আছে সরাসরি সম্পর্ক। দই, ইডলি বা অন্যান্য ফার্মেন্টেড খাবারে থাকা প্রোবায়োটিক স্মৃতিশক্তি বাড়ায়, উদ্বেগ কমায় এবং মেজাজ ভালো রাখে।
৫. কৃতজ্ঞ থাকুন:
কৃতজ্ঞতা শুধু মানসিক শান্তিই আনে না, বরং মস্তিষ্কের পুরস্কার সার্কিটও সক্রিয় করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কৃতজ্ঞতার চর্চা মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রকে নতুনভাবে সাজায়, যা বাড়ায় আশাবাদ ও মানসিক স্থিতিস্থাপকতা। সপ্তাহের শুরুতে লিখে ফেলতে পারেন ৩টি ছোট আনন্দ, ২টি কাটিয়ে ওঠা চ্যালেঞ্জ আর ১টি নতুন আশার কথা।
জে আই/কে