দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গরম চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে দিন শুরু হয় অনেকেরই। ক্লান্তি দূর করতে এক কাপ চায়ের তুলনা নেই। আর প্রায় সময় চায়ের সঙ্গে বিস্কুট, সিঙ্গারা, চপ, পাকোড়া অনেক কিছুই খেয়ে থাকেন চা প্রেমীরা। কিন্তু, চায়ের সঙ্গে এসব খাওয়া কতোটা স্বাস্থ্যকর। এ বিষয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে কথা বলেছেন পুষ্টিবিদরা। তারা বলেছেন, চায়ের সঙ্গে কিছু স্ন্যাকস খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে।
চলুন সেসব খাবারের নামগুলো জেনে নেওয়া যাক:
চায়ের সঙ্গে কোনোভাবেই অতিরিক্ত মসলাযুক্ত কোনো খাবার খাওয়া যাবে না। কিছু মসলা আছে যেগুলোর আলাদা সুঘ্রাণ রয়েছে, সেসব খাবার চায়ের সঙ্গে এড়িয়ে যেতে হবে। এ জাতীয় খাবারের উদাহরণগুলো র মধ্যে রয়েছে রসুন, পেঁয়াজ, গরম সস, তরকারি এবং মরিচ।
এমনিতেই অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার স্বাস্থ্যকর নয়। আর সেসব চায়ের সঙ্গে খেলে তো আরও বিপদ। এতে বদ হজম হতে পারে। অন্যদিকে মসলার আলাদা ঘ্রাণ আছে যেটা নাকে আসলে আপনি চায়ের সুঘ্রাণ উপভোগও করতে পারবেন না।
চায়ের সঙ্গে কেক, বিস্কুটের মতো মিষ্টিজাতীয় খাবার না খেলে অনেকের চলেই না। তবে এটা মোটেও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়। চায়ের সঙ্গে মিষ্টি খাবার খেলে শরীরে উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এমনকি, ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকিও আছে। আবার চায়ের সঙ্গে মিষ্টি খেলে বদহজমও হতে পারে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।
স্ন্যাকস হিসেবে অনেকেই ভাজাভুজি খাবার পছন্দ করেন। তাই অনেকেই চায়ের সঙ্গে চপ, শিঙাড়া, বা কাটলেট খান। এই অভ্যাস পেটের গোলমাল ও বদহজমেরও কারণ হতে পারে। লিকার চা বা ভেষজ চা হজম করা সহজ, তবে অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে।
দুধ চা বা লিকার চায়ের পরিবর্তে অনেকের পছন্দ লেবু চা। চায়ের মধ্যে লেবুর রস মেশানোর ফলে শরীরের পরিপাক ক্রিয়া অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। লেবু চা খাওয়ার পরে মুখের ভেতর অনেকেই টক টক স্বাদ অনুভব করেন। সাধারণত অ্যাসিডিটি হলে এমনটা হয়। আবার দুধ চায়ের সঙ্গে কোনও রকম চাট যেমন পাপড়ি চাট, দইবড়া, ভেলপুরি, ফুচকা খেলেও হতে পারে একই ধরনের সমস্যা। তাই অ্যাসিডিটি এড়াতে চায়ের সঙ্গে টক কিছু খাওয়া যাবে না।
সাধারণত চায়ের সঙ্গে হালকা কিছু খাওয়া যেতে পারে। যেসব খাবারে ফাইবার বা প্রোটিন বেশি থাকে সেগুলো ক্যাফেইন শোষণকে ধীর করে দিতে সাহায্য করে। মনে রাখতে হবে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া কিংবা অস্বাস্থ্যকর কোনো খাবার খেয়ে চায়ের প্রশান্তির থেকে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়তে পারে।
এস