দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে পারস্য উপসাগরের কেশম দ্বীপেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, খার্গ দ্বীপে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে বিস্ফোরণের কারণ, ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
পারস্য উপসাগরে ইরানের উপকূল থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত খার্গ দ্বীপ দেশটির তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র। স্বাভাবিক সময়ে ইরানের মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই দ্বীপের টার্মিনাল দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে যায়। এ কারণে মার্কিন কর্মকর্তারাও অতীতে খার্গকে ইরানের তেল সরবরাহ ব্যবস্থার মূল কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
একই সময়ে পারস্য উপসাগরের বৃহত্তম দ্বীপ কেশমেও নতুন করে বিস্ফোরণের খবর এসেছে। হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি অবস্থান হওয়ায় কেশম দ্বীপ ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, খার্গ ও কেশম—দুই কৌশলগত দ্বীপেই বিস্ফোরণের ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে এই ঘটনাকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র একাধিকবার খার্গ ও কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অতীতে খার্গ দ্বীপসহ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সম্ভাবনার কথাও প্রকাশ্যে উল্লেখ করেছিলেন।
তবে সর্বশেষ বিস্ফোরণের ঘটনায় ইরানের সামরিক বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিস্তারিত বিবৃতি দেয়নি। ফলে বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ এবং এর পেছনে কারা রয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এমএস/