দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফে পৌঁছেছে। ইরানে কয়েক দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য শেষে মঙ্গলবার মরদেহটি নাজাফে নেওয়া হয়, যেখানে শিয়া মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থানে অনুষ্ঠিত হবে পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা।
ইরাকের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জায়েদি এবং সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। এরপর সেখানে জানাজা ও শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
নাজাফে পৌঁছেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানও। তিনি খামেনির শেষকৃত্যের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিচ্ছেন।
শিয়া মুসলিমদের কাছে নাজাফের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ইসলাম ধর্মের নবী হজরত মুহাম্মদের চাচাতো ভাই ও জামাতা ইমাম আলীর মাজার এই শহরেই অবস্থিত। এ কারণে বিশ্বজুড়ে শিয়া সম্প্রদায়ের কাছে এটি অন্যতম পবিত্র স্থান।
বিমানবন্দরে ইরাকি রাজনৈতিক নেতা ও শিয়া ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা মরদেহ গ্রহণ করেন। এরপর বুধবার নাজাফজুড়ে বড় পরিসরে শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গত শুক্রবার ইরানে খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য শুরু হয়। প্রায় চার দশক দেশ শাসন করা এই নেতার মৃত্যুতে আয়োজিত অনুষ্ঠানগুলোকে একদিকে ধর্মীয় শ্রদ্ধা নিবেদন, অন্যদিকে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ধারাবাহিকতার বার্তা হিসেবে তুলে ধরছে তেহরান।
তেহরান থেকে শুরু হওয়া শোকযাত্রা প্রথমে কোম শহরে যায়। সেখান থেকে মরদেহ নেওয়া হয় ইরাকের নাজাফে।
নাজাফে মরদেহ পৌঁছানোর আগে নিরাপত্তা জোরদার করে ইরাকি কর্তৃপক্ষ। ইরাকের বিভিন্ন অঞ্চল এবং প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে হাজারো শোকাহত মানুষ সেখানে জড়ো হয়েছেন।
নাজাফের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ কারবালায় নেওয়া হবে। এরপর সপ্তাহের শেষ দিকে আবার ইরানে ফিরিয়ে মাশহাদে দাফন করা হবে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/