দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান হামলা ও গুলিবর্ষণে অন্তত ছয় ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। রোববার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক ঘটনায় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসকদের বরাতে জানা গেছে, উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের ইয়েমেন আল-সাঈদ হাসপাতালের কাছে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত চারজন নিহত হন। দক্ষিণের খান ইউনিসে গুলিবর্ষণে আরও একজন এবং গাজা সিটিতে পৃথক ঘটনায় একজন নিহত হন। এসব ঘটনার বিষয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
এই সহিংসতা এমন সময় ঘটল যখন যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীরা গাজা নিয়ে নতুন করে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত গাজা পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাচ্ছে, যেখানে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয় রয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ট্রাম্প-সমর্থিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও তা গাজায় পূর্ণাঙ্গ শান্তি আনতে ব্যর্থ হয়। ওই যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলি হামলায় শত শত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দাবি।
হামাস বলছে, ইসরায়েল প্রথম ধাপের শর্ত পুরোপুরি মানেনি, যার ফলে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি অর্জিত হয়নি। অন্যদিকে ইসরায়েলের দাবি, হামাসের সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধেই তাদের অভিযান চালানো হচ্ছে।
মধ্যস্থতাকারীদের দেওয়া ১৫ দফা প্রস্তাব নিয়ে হামাস ও অন্যান্য গোষ্ঠী লিখিত জবাব দিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ইস্যুতে এখনো মতপার্থক্য রয়ে গেছে। ইসরায়েল বলছে, হামাসকে অস্ত্র সমর্পণ করে গাজার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকায় অংশ নেওয়া থেকে সরে দাঁড়াতে হবে।
সূত্র- রয়টার্স
এমএস/