দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোর অনুরোধে ইরানের ওপর পরিকল্পিত সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (১৯ মে) এই হামলাটি হওয়ার কথা ছিল। তবে তেহরানের সঙ্গে বর্তমানে ‘গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা’ চলায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ট্রাম্প তার পোস্টে জানান, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের বিশেষ অনুরোধে তিনি এই পরিকল্পিত হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। উপসাগরীয় এই নেতারা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে আশ্বস্ত করেছেন, আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব, যা যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশের জন্যই কল্যাণকর হবে।
হামলা স্থগিত করলেও ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিতে ছাড়েননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘এই চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত হবে- ইরান কোনোভাবেই পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না।’ একই সঙ্গে তিনি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যানিয়েল কেইনসহ সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, যদি শেষ পর্যন্ত কোনো গ্রহণযোগ্য চুক্তি অর্জিত না হয়, তবে যেকোনো মুহূর্তে ইরানের ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ ও বড় আকারের সামরিক অভিযান চালাতে প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ইস্যুতে ওয়াশিংটনের অবস্থান আবারও চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি। বিশেষ করে কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো আঞ্চলিক মিত্ররা যুদ্ধ এড়াতে এবং উত্তেজনা কমাতে নেপথ্যে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
কেএম